কুর্মিটোলায় ঢাবির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

sangbadbd24 sangbadbd24

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ১২:০৫ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ৬, ২০২০
সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের একজন ছাত্রী রাজধানীর কুর্মিটোলা এলাকায় ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রবিবার (৫ জানুয়ারি) রাত দেড়টার দিকে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের উপ-সহকারী পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের একজন ছাত্রী কুর্মিটোলায় ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কর্তব্যরত চিকিৎসকের কাছে তিনি (ভুক্তভোগী ছাত্রী) ঘটনার বর্ণনা দিয়েছেন।

ঢামেক হাসপাতালে উপস্থিত ভুক্তভোগীর একজন সহপাঠী জানান, রবিবার বিকাল সাড়ে ৫টার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে করে ওই ছাত্রী বান্ধবীর বাসায় যাচ্ছিলেন। কুর্মিটোলা বাসস্টেশনে নামার পর তাকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি অনুসরণ করতে থাকে। মাঝপথে তাকে ধরে নির্জন স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি সন্ধ্যা ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে ঘটেছে। পরে রাত ১০টার দিকে জ্ঞান ফেরে ওই ছাত্রীর। এরপর তিনি রিকশায় করে বান্ধবীর বাসায় যান। সেখান থেকে বান্ধবীসহ অন্য সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেন। তিনি এখন ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে রয়েছেন। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন সাদেকা হালিম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সামিনা লুৎফা হাসপাতালে আসেন।

এ ব্যাপারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী বলেন, ‘ঘটনা শোনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। ওই ছাত্রীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়েছে। তার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন রয়েছে।’

সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী একটি অপ্রীতিকর ঘটনার শিকার হয়েছেন। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। তাকে এখন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটি অত্যন্ত ন্যক্কারজনক ঘটনা। আমরা এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’

তবে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঘটনাস্থলের এলাকা ক্যান্টনমেন্ট থানার দায়িত্বরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুল ইসলাম জানান, এরকম কোনও ঘটনার বিষয়ে আমাদের কাছে কেউ অভিযোগ করেনি। আমরা খোঁজ নিচ্ছি।