চট্টগ্রামে অবাধে চলছে জুয়ার আসর জড়িয়ে পড়ছে কিশোর তরুন যুবকরা ?

sangbadbd24 sangbadbd24

স্টাফ রিপোর্টার

প্রকাশিত: ৬:৫১ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ৩, ২০২০
সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

 

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
শফিকুর রহমান তুহিন

নগরীর আকবর শাহ থানা এলাকার সিডিআই ১নং রেলবিট এর পাশেই একটি ঝুপড়ীর ভিতরে জটলা পাকিয়ে ২০ ‘২৫ জন কিশোর, তরুণ, যুবক এমনকি মধ্যবয়সী কিছু একটা যে করছে এমনটা বোঝা যাচ্ছে সহজেই। তাদের এদিক-সেদিক তাকানোর ফুরসত নেই। নিবিড়ভাবে জুয়া খেলছে তারা।

স্থানিয়রা বলছে বাম্পার নামক এক ব্যাক্তি এই জুয়ার আসর পরিচালনা করেন পুলিশের সাথে বাম্পারের গভীর সম্পক রয়েছে বছরের পর বছর জুয়ার আসর চলে এখানে আর আকবর শাহ থানা এলাকায় এমন দৃশ্যের অভাব নেই। খানিকটা দূরে গিয়ে মালিপাড়া রাখালের বাড়ি নামক স্থানে দেখা গেল একইভাবে চলছে জুয়া অর্ধশত মানুষ রয়েছে এই আসরটি পরিচালনা করেন সোর্স রিপন থানায় রয়েছে বেশ যাতায়াত।

মালিপাড়া স্থানিয় এলাকাবাসী বলছে থানার বড় স্যারের খুব কাছের মানুষ সোর্স রিপন আর জুয়ার আসর নিয়ে প্রতিবাদ করলে মাদক মামলার আসামী হতে হয় । একই থানার একটু দূরে গেলে সেভেন মার্কেট ঝিল নামক স্থানে বসেছে জুয়ার আসর একটি, দু’টি করে তিনটি স্পটে দেখা গেল জুয়ার আসর।

ওই তিনটি স্পটে দিনে-রাতে বসছে লাখ লাখ টাকার জুয়ার আসর। ভুক্তভোগীরা সর্বস্বান্ত হলেও জুয়ার নামে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে আয়োজক চক্র। অথচ আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হলেও অভিযোগ রয়েছে, আকবর শাহ থানার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্তাদের ম্যানেজ করেই দিনের পর দিন চলছে এসব জুয়ার আসর।

মালিপাড়া রাখালের বাড়ি জুয়ার আসরের পাশেই বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন রিকসা চালক বিল্লাল তিনি বলেন, আমাদের রিকশা গ্যারেজ এর অনেক ড্রাইভার জুয়া খেলে রিকশা সহ বিক্রি করেছেন আবার অনেকে দেনার দায়ে পালিয়ে গেছেন এই এলাকার চালক-শ্রমিক, ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এই জুয়ার আসরে নিয়মিত আসে আকবর শাহ থানার পুলিশ প্রতিদিনই আসে কিছুই বলেনা।

অন্যদিকে স্থানিয় এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাত-দিন সমানতালে জুয়ার আসর চলায় আকবর শাহ থানা এলাকায় চলাচলকারী মানুষ এখন নিরাপদ নয়। এ ব্যাপারে আকবর শাহ থানার অফিসার্স ইনচার্জ এর মুঠো ফোনে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি আশ্বাস দেন বিষয়টি দেখবেন প্রতিনিধি ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করলেও ব্যাবস্থা নেননি থানা পুলিশ।

হালিশহর থানা এলাকার ছোট পু্ল এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, বিরতিহীনভাবে চলছে জুয়ার আসর আর এই আসরে জুয়ারিদের জন্য রয়েছে ইয়াবা নামক মাদক ও যৌবন নেশার ব্যবস্থা অপ্রাপ্ত কিশোরীদের দিয়ে করানো হচ্ছে অসামাজিক কার্যকালাপ এই স্পটটি নিয়ন্ত্রন করে আলমগির নামক এক ব্যাক্তি”

এদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জুয়ারি বলেন হালিশহর থানার অপারেশন স্যারের বাসায় প্রতিনিয়ত
বাজার করে দিয়ে আসে ও মাঝে মাঝে আলমগির বলেন অপারেশন স্যারের সাথে তার ফ্যামিলিগত সম্পর্ক আমার স্পটটি তিনি যতদিন আছেন থানা পুলিশের সমস্যা নেই।

ছোট পুল এলাকাবাসীর অভিযোগ,জুয়ার স্পটটি প্রধানত বখাটে ছেলেদের আড্ডা আর অসামাজিক কাজে ব্যবহার হয়। মধ্যবয়সীরাও আসর জমায়। মাঝে মধ্যে বড় লোকের ছেলেরা বান্ধবী নিয়ে আসে। ব্যবহার করে জুয়ার আসরের ঘরগুলো। জুয়ার টাকা তারাই বেশি জোগায়।

অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটি জুয়ার আসর থেকে প্রতি রাতে ১০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পাচ্ছেন নিয়ন্ত্রণকারী হিসেবে পরিচিত প্রভাবশালীরা। তারাই জুয়ার আসরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।

এ ব্যাপারে হালিশহর থানা অফিসার্স ইর্নচাজের মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে জুয়ার আসরের কথা শুনতে না শুনতেই মুঠোফোনটি রেখে দেন।