বার্তা বিভাগ
২৬ জুলাই ২০২৬, ৮:৩০ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

যাত্রাবাড়ীর বউবাজারে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির মূল হোতা সিটি রাসেল এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে ?


মাদক ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান অপু হত্যার সন্দেহের তীর মাদক ব্যবসায়ী সিটি রাসেল – এমনটাই দাবি এলাকাবাসীর ?


নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন বউবাজার এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির বিষয়ে সংবাদ বিডি টুয়েন্টিফোর ডটকমে একাধিক মাদক ব্যবসায়ীকে নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশিত হ‌ওয়ায় শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রুবেল এর সহযোগী নাঈম ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ আটক করেছে ।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী সিটি রাসেল রুপালী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কুতুবখালী এজেন্ট শাখা ভবনের অফিসের পাশের একটি সরু গলিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক বিক্রি হচ্ছে। তাদের অভিযোগ, এলাকায় একাধিক সিন্ডিকেট সক্রিয় থাকলেও মূল হোতারা এখনও আইনের আওতার বাইরে রয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গলির ভেতরে কয়েকজন বিক্রেতা প্রকাশ্যেই ক্রেতাদের কাছে ইয়াবা বিক্রির প্রস্তাব দেন। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এভাবে মাদক কেনাবেচা চললেও কার্যকরভাবে বন্ধ করা সম্ভব হয়নি।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রাসেল ওরফে “সিটি রাসেল” একটি মাদক সিন্ডিকেট রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে দির্ঘদিন যাবত মাদক ব্যবসা করে আসছে। তাদের আরও দাবি, রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।

অভিযোগ রয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে মাদক ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান অপুকে হত্যা করে যাত্রাবাড়ী সবজি আড়তে এক দেয়ালের পাশে রেখে যাওয়া হয় স্থানীয় একাংশের সূত্র জানায়, খুচরা বিক্রেতাদের কাছ মাদক বিক্রি নিয়ে একমাত্র মাদক ব্যবসার প্রতিদন্দী ছিলেন মাদক ব্যবসায়ী সিটি রাসেল আর এই মাদক ব্যবসায়ী মেহেদী হাসান অপুর হত্যার সাথে জড়িত থাকতে পারেন রাজনৈতিক নেতা পরিচয়ধারী মাদক ব্যবসায়ী রাসেল ওরফে সিটি রাসেল।

এর আগে সংবাদ প্রকাশের পর অভিযানে শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী রুবেল এর সহযোগী নাঈমকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ । তবে স্থানীয়দের দাবি, মূল হোতাদের বিরুদ্ধে এখনও দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সিটি রাসেল এর কথিত কিশোর গ্যাংয়ের ভয়ে অনেকে প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পান না। তারা দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর অভিযান ও স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার সংবাদ বিডি টুয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনো ব্যক্তি রাজনৈতিক বা অন্য যে পরিচয়ই ব্যবহার করুক না কেন, আইনের দৃষ্টিতে অপরাধী হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় এনে এলাকায় মাদকমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

 

 

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

অস্ট্রেলিয়ার ভিসানীতিতে কড়াকড়ি: বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও অভিবাসীদের করণীয় কী

১

অস্ট্রেলিয়ার ভিসানীতিতে কড়াকড়ি: বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও অভিবাসীদের করণীয় কী

২

জুয়ার আসরে নিঃস্ব ওসমান মিয়া, হোমনা উপজেলায় আবারো জমজমাট ‘জুয়ার আসর’ ?

৩

দাম্পত্যে সন্দেহ থেকে মধ্যবিত্তের গল্প, আলোচনায় কোন পাঁচ নাটক

৪

দাম্পত্যে সন্দেহ থেকে মধ্যবিত্তের গল্প, আলোচনায় কোন পাঁচ নাটক

৫

প্রকৃতি ও পরম্পরার সেতুবন্ধ

৬

প্রকৃতি ও পরম্পরার সেতুবন্ধ

৭

মালয়েশিয়া ভ্রমণ: কালের যাত্রাধ্বনি-৫

৮

মালয়েশিয়া ভ্রমণ: কালের যাত্রাধ্বনি-৫

৯

ফ্রান্সের পর শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল বেলজিয়াম, আটক ১০৭

১০

‘সমকামী সাজিয়ে’ বাংলাদেশিদের আশ্রয় আবেদন, যুক্তরাজ্যে গ্রেপ্তার ৩

১১

ভোট লুটের অভিযোগ, কেঁদে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা হুমায়ুন কবীরের

১২

ধর্ম, বর্ণ ও পরিচয় অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে বাধা হবে না: প্রধানমন্ত্রী

১৩

ইস্টার্ন রিফাইনারির জন্য কেনা হবে ১৪ লাখ টন ক্রুড অয়েল

১৪

এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০ উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করল বিমান

১৫

নিত্যপণ্যের যোগসাজশমূলক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ সংসদীয় কমিটির

১৬

আংটি পরানোর প্রথা কবে শুরু হলো

১৭

অণুর ডান–বাম রহস্য সমাধান করে রসায়নে নোবেল

১৮

আসামি মুঠোফোন ব্যবহার করতেন না, পাঁচ বছর পর যেভাবে পুলিশের জালে ধরা পড়লেন

১৯

২০৩৪ সালে আমরা কেমন অর্থনীতি চাই

২০