সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শুনানি শেষে মামুনকে হাজতখানায় নেওয়ার প্রস্তুতির সময় আদালত চত্বরে তাঁর এক স্বজন খাবার হিসেবে একটি পাউরুটির প্যাকেট দেন। সন্দেহ হলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের এসকর্ট কনস্টেবল মো. শাহেদ তল্লাশি করেন। একপর্যায়ে পাউরুটির ভেতরে কাগজে মোড়ানো দুই পুরিয়া গাঁজা পাওয়া যায়।
ডিএমপি প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল প্রথম আলোকে বলেন, আদালত থেকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় আসামির স্বজনেরা খাবার দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। দায়িত্বরত কনস্টেবল প্রথমে রাজি না হলেও মানবিক বিবেচনায় একটি পাউরুটি নিতে দেন। প্রাথমিক তল্লাশিতে কোনো সন্দেহজনক কিছু ধরা পড়েনি। পরে আবার পরীক্ষা করার সময় পাউরুটিতে একটি ছোট ছিদ্র চোখে পড়ে। সেটি খুঁটিয়ে দেখতেই ভেতর থেকে দুই পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়। বেলা তিনটার পর এ ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শুনানি শেষে মামুনকে হাজতখানায় নেওয়ার প্রস্তুতির সময় আদালত চত্বরে তাঁর এক স্বজন খাবার হিসেবে একটি পাউরুটির প্যাকেট দেন। সন্দেহ হলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের এসকর্ট কনস্টেবল মো. শাহেদ তল্লাশি করেন। একপর্যায়ে পাউরুটির ভেতরে কাগজে মোড়ানো দুই পুরিয়া গাঁজা পাওয়া যায়।
ডিএমপি প্রসিকিউশন বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল প্রথম আলোকে বলেন, আদালত থেকে হাজতখানায় নেওয়ার সময় আসামির স্বজনেরা খাবার দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। দায়িত্বরত কনস্টেবল প্রথমে রাজি না হলেও মানবিক বিবেচনায় একটি পাউরুটি নিতে দেন। প্রাথমিক তল্লাশিতে কোনো সন্দেহজনক কিছু ধরা পড়েনি। পরে আবার পরীক্ষা করার সময় পাউরুটিতে একটি ছোট ছিদ্র চোখে পড়ে। সেটি খুঁটিয়ে দেখতেই ভেতর থেকে দুই পুরিয়া গাঁজা উদ্ধার করা হয়। বেলা তিনটার পর এ ঘটনা ঘটে।
Source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/l5ug20qz4i
মন্তব্য করুন