প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তা কাজে লাগিয়ে আমরা আমাদের শিল্প–সংস্কৃতিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই। সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
আলোচনার পরে গানের পর্বে শুরু হয়েছিল শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের সমবেত কণ্ঠে ‘ধনধান্য পুষ্পভরা’, ‘চল চল চল’ ও ‘দুর্গম গিরি, কান্তার-মরু’ গান তিনটির পরিবেশনা দিয়ে। এরপর ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের শিক্ষার্থীরা সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করেন ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল’। ‘মুক্তির মন্দির সোপান তলে/ কত প্রাণ হলো বলি দান’ পরিবেশন করে ‘সৃজনী’র শিল্পীরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, তা কাজে লাগিয়ে আমরা আমাদের শিল্প–সংস্কৃতিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চাই। সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।’
আলোচনার পরে গানের পর্বে শুরু হয়েছিল শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের সমবেত কণ্ঠে ‘ধনধান্য পুষ্পভরা’, ‘চল চল চল’ ও ‘দুর্গম গিরি, কান্তার-মরু’ গান তিনটির পরিবেশনা দিয়ে। এরপর ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টসের শিক্ষার্থীরা সমবেত কণ্ঠে পরিবেশন করেন ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল’। ‘মুক্তির মন্দির সোপান তলে/ কত প্রাণ হলো বলি দান’ পরিবেশন করে ‘সৃজনী’র শিল্পীরা।
Source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/74frl9x0fq
মন্তব্য করুন