ছেলেকে সঙ্গে আনার কারণ জানতে চাইলে রোকেয়া বেগম বলেন, ‘দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আগে কখনো আন্দোলনে আসিনি। বাসায় বাচ্চাকে রেখে আসার মতো পরিস্থিতি নেই। তাই বাধ্য হয়ে সঙ্গে এনেছি। চাকরিটা আমাদের জন্য কতটা প্রয়োজন, তা শুধু আমরাই জানি।’ তিনি জানান, আপাতত রাতে ঢাকায় থাকার পরিকল্পনা নেই। তবে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে হোটেলে থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
একই আন্দোলনে স্ত্রীকে নিয়ে এসেছেন আরেক সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষক পরিবারের সদস্য। তাঁদের সঙ্গে রয়েছে পাঁচ বছরের মারজিয়া ও চার বছরের নিশাত। শিশুদের বাবা বলেন, ‘আমার স্ত্রীর চাকরিটা খুব প্রয়োজন। তাই বাধ্য হয়েই এসেছে। বাচ্চারাও মায়ের সঙ্গে আসার বায়না করেছিল। তাই আমিও ওদের সঙ্গে এসেছি।’
ছেলেকে সঙ্গে আনার কারণ জানতে চাইলে রোকেয়া বেগম বলেন, ‘দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। আগে কখনো আন্দোলনে আসিনি। বাসায় বাচ্চাকে রেখে আসার মতো পরিস্থিতি নেই। তাই বাধ্য হয়ে সঙ্গে এনেছি। চাকরিটা আমাদের জন্য কতটা প্রয়োজন, তা শুধু আমরাই জানি।’ তিনি জানান, আপাতত রাতে ঢাকায় থাকার পরিকল্পনা নেই। তবে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে হোটেলে থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
একই আন্দোলনে স্ত্রীকে নিয়ে এসেছেন আরেক সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষক পরিবারের সদস্য। তাঁদের সঙ্গে রয়েছে পাঁচ বছরের মারজিয়া ও চার বছরের নিশাত। শিশুদের বাবা বলেন, ‘আমার স্ত্রীর চাকরিটা খুব প্রয়োজন। তাই বাধ্য হয়েই এসেছে। বাচ্চারাও মায়ের সঙ্গে আসার বায়না করেছিল। তাই আমিও ওদের সঙ্গে এসেছি।’
Source: https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-news/fxj7h9n80o
মন্তব্য করুন