মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে সিআইডি জানায়, সৌদি আরবে ভালো চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ছয় লাখ টাকা নেয় একটি চক্র। এরপর গত বছরের ৭ জুন তাঁকে সৌদি আরবে পাঠানো হয়। তবে সেখানে যাওয়ার পর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো চাকরি দেওয়া হয়নি।
সিআইডির ভাষ্য, সালমান হোসেন ও চক্রের অন্য সদস্যরা ভুক্তভোগীকে সৌদি আরবের একটি বাসায় আটকে রাখেন। পরে ইকামা (বসবাসের বৈধ অনুমতি) করে দেওয়ার কথা বলে তাঁর পরিবারের কাছে আরও টাকা দাবি করা হয়। টাকা আদায়ের জন্য ভুক্তভোগীকে শারীরিক নির্যাতনও করা হয়। একপর্যায়ে ওই বাসা থেকে কৌশলে পালিয়ে যান ভুক্তভোগী। পরে একটি মরুভূমি এলাকায় গিয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে আশ্রয় নেন। একসময় সৌদি পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর গত ২২ জুলাই তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।
মামলার এজাহারের বরাত দিয়ে সিআইডি জানায়, সৌদি আরবে ভালো চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ছয় লাখ টাকা নেয় একটি চক্র। এরপর গত বছরের ৭ জুন তাঁকে সৌদি আরবে পাঠানো হয়। তবে সেখানে যাওয়ার পর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোনো চাকরি দেওয়া হয়নি।
সিআইডির ভাষ্য, সালমান হোসেন ও চক্রের অন্য সদস্যরা ভুক্তভোগীকে সৌদি আরবের একটি বাসায় আটকে রাখেন। পরে ইকামা (বসবাসের বৈধ অনুমতি) করে দেওয়ার কথা বলে তাঁর পরিবারের কাছে আরও টাকা দাবি করা হয়। টাকা আদায়ের জন্য ভুক্তভোগীকে শারীরিক নির্যাতনও করা হয়। একপর্যায়ে ওই বাসা থেকে কৌশলে পালিয়ে যান ভুক্তভোগী। পরে একটি মরুভূমি এলাকায় গিয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তির কাছে আশ্রয় নেন। একসময় সৌদি পুলিশের হাতে আটক হওয়ার পর গত ২২ জুলাই তাঁকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।
Source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/xqkk4fn90v
মন্তব্য করুন