বন বিভাগ বলছে, সামাজিক বনায়নের মেয়াদ শেষ হওয়ায় নিয়মতান্ত্রিকভাবে গাছ বিক্রি করা হয়েছে এবং সড়ক সম্প্রসারণ করা হবে। পরে আবার গাছ লাগানো হবে। কিন্তু এই ব্যাখ্যা অনেক প্রশ্নের উত্তর দেয় না। কর্মসূচির মেয়াদ শেষ হওয়া মানেই কি পরিণত গাছ কেটে ফেলতে হবে? মেয়াদ বাড়ানো বা উপকারভোগীদের সঙ্গে নতুন বন্দোবস্তের সুযোগ কি নেই? সড়ক সম্প্রসারণের প্রকৃত প্রয়োজন কতখানি এবং তার জন্য কতটি গাছ কাটতেই হবে, তা কি নিরপেক্ষভাবে নিরীক্ষা করা হয়েছে?
স্বচ্ছতার অভাবের অভিযোগও গুরুতর। সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা গাছ কাটার বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন। সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের অনেকে কোনো অর্থ পাওয়া বা গাছ কাটার বিষয়ে জানার কথা অস্বীকার করেছেন। এই অভিযোগ সত্য হলে প্রশ্ন ওঠে, কাদের স্বার্থে এবং কোন প্রক্রিয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো? উপকারভোগীদের প্রাপ্য নিশ্চিত করা এবং সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয় ছাড়া এ ধরনের কর্মকাণ্ডের নৈতিক ও প্রশাসনিক বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যায়।
বন বিভাগ বলছে, সামাজিক বনায়নের মেয়াদ শেষ হওয়ায় নিয়মতান্ত্রিকভাবে গাছ বিক্রি করা হয়েছে এবং সড়ক সম্প্রসারণ করা হবে। পরে আবার গাছ লাগানো হবে। কিন্তু এই ব্যাখ্যা অনেক প্রশ্নের উত্তর দেয় না। কর্মসূচির মেয়াদ শেষ হওয়া মানেই কি পরিণত গাছ কেটে ফেলতে হবে? মেয়াদ বাড়ানো বা উপকারভোগীদের সঙ্গে নতুন বন্দোবস্তের সুযোগ কি নেই? সড়ক সম্প্রসারণের প্রকৃত প্রয়োজন কতখানি এবং তার জন্য কতটি গাছ কাটতেই হবে, তা কি নিরপেক্ষভাবে নিরীক্ষা করা হয়েছে?
স্বচ্ছতার অভাবের অভিযোগও গুরুতর। সুনামগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের কর্মকর্তারা গাছ কাটার বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন। সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের অনেকে কোনো অর্থ পাওয়া বা গাছ কাটার বিষয়ে জানার কথা অস্বীকার করেছেন। এই অভিযোগ সত্য হলে প্রশ্ন ওঠে, কাদের স্বার্থে এবং কোন প্রক্রিয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো? উপকারভোগীদের প্রাপ্য নিশ্চিত করা এবং সরকারি সংস্থাগুলোর সমন্বয় ছাড়া এ ধরনের কর্মকাণ্ডের নৈতিক ও প্রশাসনিক বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন থেকে যায়।
Source: https://www.prothomalo.com/opinion/editorial/es9dm49bqf
মন্তব্য করুন