৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০০ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

নারীর ক্ষমতায়নে ধর্মের অপব্যাখ্যা ও পুরুষতন্ত্র এখনো বড় চ্যালেঞ্জ: জহির উদ্দিন স্বপন

নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী-পুরুষের সমতা প্রতিষ্ঠায় ধর্মের অপব্যাখ্যা ও পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা এখনো বড় চ্যালেঞ্জ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও সংসদ সদস্য জহির উদ্দিন স্বপন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত ‘আইডিজি কার্নিভ্যাল ২০২৬’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, একটি বৈষম্যহীন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। নারী ও পুরুষের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করার পাশাপাশি শিক্ষা, কর্মসংস্থান, নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রতিটি ক্ষেত্রে নারীদের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।.আগামীর বাংলাদেশ গড়তে সরকার নারী-পুরুষের সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। তিনি বলেন, এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকারের পাশাপাশি উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোরও কার্যকর ভূমিকা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সেভ দ্য চিলড্রেনের অভিজ্ঞতা, সহযোগিতা ও অংশীদারত্ব গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।‘শিকড়ের শক্তিতে, এগিয়ে যাক প্রতিটি কিশোরী’ প্রতিপাদ্যে সেভ দ্য চিলড্রেন ইন বাংলাদেশ এই কার্নিভ্যালের আয়োজন করে। কন্যাশিশু ও কিশোরীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা, নেতৃত্ব বিকাশ, ক্ষমতায়ন এবং সমাজের সর্বস্তরে তাদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়গুলো অনুষ্ঠানে গুরুত্ব পায়।.নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের অর্থায়নে এবং জাতীয় যুব নেটওয়ার্ক (এনওয়াইএন) ও নারী নেতৃত্বাধীন সংগঠনগুলোর সহযোগিতায় সেভ দ্য চিলড্রেনের একটি প্রকল্পের আওতায় এ আয়োজন করা হয়।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য হেলেন জেরিন খান, মাহমুদা হাবিবা ও মনসুরা আক্তার। এ ছাড়া জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) বাংলাদেশ কার্যালয়ের কিশোর-কিশোরী ও যুব কার্যক্রমের প্রধান ইলিজা আজেই উপস্থিত ছিলেন।.অনুষ্ঠানে বক্তারা কন্যাশিশু ও কিশোরীদের শিক্ষা, কর্মসংস্থান, নেতৃত্ব, উদ্যোক্তা কার্যক্রম এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূর করার ওপর গুরুত্ব দেন। তাঁদের মতে, কিশোরীদের মতামত, অভিজ্ঞতা ও চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলতে পরিবার, সমাজ, সরকার, উন্নয়ন সহযোগী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।কিশোরীদের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি, তাদের বক্তব্যকে গুরুত্ব দেওয়া এবং নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে আরও সমতাভিত্তিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয় অনুষ্ঠানে।

Source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/9upu0j2hb2

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

গায়ে পা লাগলে ‘সালাম’ করা: প্রথা নাকি বিধান

১

রাজধানীর গুলশান থানা এলাকায় জমজমাট জুয়ার আসর ?

২

জাপানে চার দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী

৩

হানিফসহ চার আসামির অপরাধ কী, মৃত্যুদণ্ড ছাড়াও তাঁরা কী কী সাজা পেলেন

৪

নারীর ক্ষমতায়নে ধর্মের অপব্যাখ্যা ও পুরুষতন্ত্র এখনো বড় চ্যালেঞ্জ: জহির উদ্দিন স্বপন

৫

বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মৃত্যু ঘিরে রহস্য

৬

নিহত ছাত্রদল নেতার বাড়িতে গিয়ে বিচারের আশ্বাস দিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

৭

হোগলাবুনিয়া থেকে তাসভির…

৮

রং, নকশা, বুননে প্রান্তিক মানুষের জীবনসংগ্রাম

৯

নেতানিয়াহুর জোট ছেড়ে বিরোধী জোটে যেতে আগ্রহী ইউটিজে

১০

সরকার চাইলেই কি টাকা ছাপাতে পারে

১১

ব্রহ্মপুত্রের বুকেই তৈরি হচ্ছে খেলার মাঠ, প্রতিবাদ পরিবেশকর্মীদের

১২

ঘরোয়াভাবে কাবিন হয়েছিল, বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে, তার আগেই বর্ষার মৃত্যু

১৩

গবেষণার তথ্য: ফেসবুক ও মেসেঞ্জারে নারীর প্রতি সহিংসতা বেশি

১৪

পাকিস্তান সরকার ইমরান খানকে হত্যার চেষ্টা করছে: ছেলে সুলাইমানের অভিযোগ

১৫

২০ বছর পর সার্জেন্ট পদে ৮৪ ও এসআই পদে ১৬২ জন যোগ দিচ্ছেন

১৬

বাল্যবিবাহ ও সাইবার বুলিং প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সচেতন করলেন বন্ধুরা

১৭

বিদায়, জান্থি!

১৮

জলবায়ু অর্থায়ন প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য

১৯

বিধান পরিষদ নির্বাচন বিজেপি ও কংগ্রেসকে চিন্তায় ফেলে দিল

২০