স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১০ সালে মোলামগাড়িহাট দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেছিলেন রীতি খাতুন। পরের বছর বিয়ে হওয়ায় ছেদ পড়ে পড়াশোনায়। সংসার সামলাতে গিয়ে উচ্চমাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোতে পারেননি। তবে পড়াশোনার প্রতি তাঁর প্রবল আগ্রহ ছিল।
স্বামীর উৎসাহে ২০২৪ সালে ক্ষেতলাল পাইলট বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভর্তি হন রীতি। সংসারের কাজ সামলে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সহজ ছিল না। এ জন্য নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি। প্রতিবেশীদের উপহাসও শুনতে হয়েছে তাঁকে। তবে সব বাধা উপেক্ষা করে পড়াশোনা চালিয়ে যান। এ ক্ষেত্রে স্বামী–সন্তানের পাশাপাশি শিক্ষকদের সহযোগিতা ও উৎসাহ পেয়েছেন বলে রীতি জানিয়েছেন।
স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০১০ সালে মোলামগাড়িহাট দ্বিমুখী উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাস করেছিলেন রীতি খাতুন। পরের বছর বিয়ে হওয়ায় ছেদ পড়ে পড়াশোনায়। সংসার সামলাতে গিয়ে উচ্চমাধ্যমিকের গণ্ডি পেরোতে পারেননি। তবে পড়াশোনার প্রতি তাঁর প্রবল আগ্রহ ছিল।
স্বামীর উৎসাহে ২০২৪ সালে ক্ষেতলাল পাইলট বালিকা স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভর্তি হন রীতি। সংসারের কাজ সামলে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া সহজ ছিল না। এ জন্য নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছেন তিনি। প্রতিবেশীদের উপহাসও শুনতে হয়েছে তাঁকে। তবে সব বাধা উপেক্ষা করে পড়াশোনা চালিয়ে যান। এ ক্ষেত্রে স্বামী–সন্তানের পাশাপাশি শিক্ষকদের সহযোগিতা ও উৎসাহ পেয়েছেন বলে রীতি জানিয়েছেন।
Source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/apuec6tsim
মন্তব্য করুন