সরকারি কাজের দরপত্রে সাধারণত আগের কাজের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়। কিন্তু কাজ না পেলে নতুন প্রতিষ্ঠানের সেই অভিজ্ঞতা তৈরি হবে কীভাবে? এই বাধা কমাতে নতুন উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণের শর্ত সহজ করার বিধান রাখা হয়েছে সরকারি ক্রয় আইনের সংশোধনী খসড়ায়। শুধু দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, বেশি বার্ষিক লেনদেন কিংবা আগে বড় কাজ করার অভিজ্ঞতা নেই বলে তাঁদের অংশগ্রহণ আটকে দেওয়া যাবে না।নতুন ও ছোট প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি নারী উদ্যোক্তা এবং লাইসেন্স থাকার পরও সরকারি কাজে অংশ নিতে না পারা ব্যক্তিদের সুযোগ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। তাঁদেরসহ অন্য দরপত্রদাতাদের নিয়ে এলাকাভিত্তিক তালিকা করা হবে। নির্ধারিত মূল্যসীমার মধ্যে দেশের ভেতরে সরকারি কেনাকাটায় এই তালিকার ভিত্তিতে দরপত্র আহ্বান বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব রয়েছে।বদলানোর প্রস্তাব রয়েছে ঠিকাদার বাছাইয়ের পদ্ধতিও। দেশের ভেতরে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে নির্মাণকাজ ও ভৌত সেবা কেনার ক্ষেত্রে কাজের মান ও স্থায়িত্বের জন্য থাকবে মোট নম্বরের ৮০ শতাংশ, দামের জন্য ২০ শতাংশ। দুই অংশের নম্বর মিলিয়ে এগিয়ে থাকা প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার সুপারিশ করা হবে। ফলে সবচেয়ে কম দর দেওয়া প্রতিষ্ঠানই যে কাজ পাবে, এমন নিশ্চয়তা থাকছে না।.এসব বিধান রয়েছে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায়। খসড়াটি আজ সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে উত্থাপিত হতে পারে। ১৩ পৃষ্ঠার এ খসড়ায় ৩৬টি ধারা রয়েছে। বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি (বিপিপিএ) গত ২৯ অক্টোবর খসড়াটির ওপর জনমত আহ্বান করেছে।এর আগে সরকারি ক্রয়ব্যবস্থায় বিভিন্ন পরিবর্তন এনে গত ২১ সেপ্টেম্বর ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ গেজেটে প্রকাশ করা হয়। এবার ওই অধ্যাদেশের অধিকাংশ বিধান বহাল রেখে আরও কিছু পরিবর্তনসহ দ্বিতীয় সংশোধনী আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। নতুন উদ্যোক্তাদের শর্ত সহজ করার বিধান আগেও ছিল। এবার নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে মান ও দামের নম্বরের অনুপাত, দর দেওয়ার সীমা এবং তালিকাভিত্তিক সীমিত দরপত্রের বাধ্যতামূলক ব্যবহার যুক্ত হয়েছে। খসড়ায় আগের অধ্যাদেশটি রহিত করার প্রস্তাবও রয়েছে।সরকারি ক্রয় কার্যক্রমকে অধিকতর ফলপ্রসূ ও অর্থবহ করার সুপারিশ প্রদানের জন্য গঠিত কমিটির সদস্য স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম প্রথম আলোকে বলেন, বিদ্যমান শর্তের কারণে ঘুরেফিরে একই ঠিকাদারেরা দরপত্রে অংশ নিচ্ছেন। নতুন ঠিকাদার ও সরবরাহকারী হিসেবে আগ্রহী অনেকে অংশ নিতে পারছেন না। এসব বিষয় পর্যালোচনার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আইনমন্ত্রীর নেতৃত্বে কমিটি গঠন করা হয়। সব ধরনের ব্যবসায়ী, ঠিকাদার ও সরবরাহকারীর অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়াতেই আইন সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আলোকে সরকারি ক্রয় বিধিমালাও সংশোধন করা হবে।.খসড়ায় বলা হয়েছে, দরপত্রদাতার যোগ্যতা নির্ধারণে এমন শর্ত দেওয়া যাবে না, যা অপ্রয়োজনীয়ভাবে নতুন নিবন্ধিত ব্যক্তি বা নবীন উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ সীমিত করে। শুধু দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, বেশি বার্ষিক লেনদেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা কিংবা আগে একটি বড় চুক্তির কাজ করার অভিজ্ঞতাকে বাধ্যতামূলক যোগ্যতা করা যাবে না।তবে নতুন প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করার সব শর্ত তুলে দেওয়া হচ্ছে না। কাজের ধরন, জটিলতা ও ঝুঁকি বিবেচনায় বিশেষ শর্ত আরোপ করা যাবে। অর্থাৎ অপ্রয়োজনীয় শর্ত দিয়ে কাউকে প্রতিযোগিতার বাইরে রাখা যাবে না; আবার কাজটি করার প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও সক্ষমতাও দেখাতে হবে।খসড়ায় ‘সুযোগবঞ্চিত ব্যক্তি’ নামে একটি শ্রেণি রাখা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইন কার্যকরের আগের সর্বোচ্চ ২০ বছরের মধ্যে বৈধ নিবন্ধন বা লাইসেন্স থাকার পরও প্রয়োজনীয় সুযোগ কিংবা অনুকূল পরিবেশের অভাবে সরকারি ক্রয়ে অংশ নিতে পারেননি অথবা নেননি—এমন ব্যক্তিরা এই শ্রেণিতে পড়বেন।সুযোগবঞ্চিত ব্যক্তি এবং নতুন, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও নারী উদ্যোক্তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার যোগ্যতার শর্ত শিথিল করতে পারবে। তবে কাকে সুযোগবঞ্চিত হিসেবে গণ্য করা হবে, এ জন্য কী প্রমাণ লাগবে এবং তা কীভাবে যাচাই করা হবে, খসড়ায় তার বিস্তারিত নেই। এসব বিষয় বিধিতে নির্ধারণ করতে হবে।সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিটের (সিপিটিইউ, বর্তমানে বিপিপিএ) সাবেক মহাপরিচালক মো. ফারুক হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, দীর্ঘদিন কাজ না পাওয়ার কারণকে শুধু রাজনৈতিক বঞ্চনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। দরপত্রে নিয়ম অনুযায়ী অংশ নেওয়া এবং প্রয়োজনীয় যোগ্যতা দেখাতে পারার বিষয়ও বিবেচনা করতে হবে। ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় বা ই-জিপি চালু থাকায় দরপত্র জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে সরাসরি বাধা দেওয়ার সুযোগও কমেছে। তবে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কাউকে বৈষম্যের শিকার হতে দেওয়া যাবে না।.নতুন ও ছোট প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ বাড়ানোর আরেকটি ব্যবস্থা হলো এলাকাভিত্তিক তালিকাভুক্তি। নির্ধারিত শ্রেণি অনুযায়ী তালিকা তৈরি করে পণ্য, নির্মাণকাজ ও ভৌত সেবা কেনার জন্য সীমিত দরপত্র আহ্বান করা হবে।উন্মুক্ত দরপত্রে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করা যেকোনো আগ্রহী প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারে। সীমিত দরপত্রে তালিকাভুক্ত বা নির্দিষ্টসংখ্যক সরবরাহকারী, ঠিকাদার ও সেবাদানকারীকে দর দেওয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়।গত সেপ্টেম্বরের অধ্যাদেশে নতুন, অতিক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও নারী উদ্যোক্তা এবং সুযোগবঞ্চিত ব্যক্তিসহ অন্য দরপত্রদাতাদের এলাকাভিত্তিক তালিকার মাধ্যমে কেনাকাটার সুযোগ রাখা হয়েছিল। এবারের খসড়ায় নির্ধারিত মূল্যসীমার মধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ কেনাকাটায় এই পদ্ধতির ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার কথা বলা হয়েছে।তবে কত টাকা পর্যন্ত কেনাকাটায় নিয়মটি প্রযোজ্য হবে, তা খসড়ায় উল্লেখ নেই। মূল্যসীমা বিধিতে নির্ধারিত হবে। বিশেষায়িত বা কারিগরি ধরনের কেনাকাটায় সংশ্লিষ্ট কার্যালয়প্রধানের অনুমোদন নিয়ে তালিকাভিত্তিক পদ্ধতির পরিবর্তে উন্মুক্ত দরপত্র বা অন্য কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করা যাবে।তালিকায় শুধু নতুন ও ছোট প্রতিষ্ঠান থাকবে না। তাদের সঙ্গে অন্য দরপত্রদাতাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা যাবে। ফলে তালিকায় নাম উঠলেই কোনো প্রতিষ্ঠান কাজ পাবে না; তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতায় নির্বাচিত হতে হবে। তালিকাভুক্তির মানদণ্ড, তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ এবং কাদের দর দিতে আহ্বান জানানো হবে—এসবের ওপর ব্যবস্থাটির কার্যকারিতা নির্ভর করবে।সীমিত দরপত্রে জামানতের বিধানেও পরিবর্তনের প্রস্তাব রয়েছে। বর্তমানে এই পদ্ধতিতে দরপত্র জামানত দেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। নতুন খসড়ায় বিধির মাধ্যমে জামানতের ব্যবস্থা রাখার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। তবে জামানতের পরিমাণ বা শর্ত উল্লেখ করা হয়নি।.প্রচলিত নিয়মে প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মূল্যায়নে সর্বনিম্ন দর দেওয়া প্রতিষ্ঠানকে কাজের জন্য বেছে নেওয়া হয়। নতুন খসড়ায় অভ্যন্তরীণ নির্মাণকাজ ও ভৌত সেবা কেনার ক্ষেত্রে মান ও দামের নম্বর মিলিয়ে ঠিকাদার নির্বাচনের প্রস্তাব করা হয়েছে।প্রথমে দরপত্রদাতার কারিগরি প্রস্তাব যাচাই করা হবে। এই অংশে প্রতিষ্ঠানটির যোগ্যতা ও সক্ষমতার পাশাপাশি কাজটি কীভাবে করা হবে, নির্ধারিত মান কীভাবে নিশ্চিত হবে এবং কাজটি কতটা টেকসই হবে, তা দেখা হবে। কারিগরি মূল্যায়নে উত্তীর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক প্রস্তাব পরে খোলা হবে।এরপর কারিগরি প্রস্তাবের মান ও স্থায়িত্বের জন্য দেওয়া নম্বরকে ৮০ শতাংশ এবং দামের জন্য পাওয়া নম্বরকে ২০ শতাংশ গুরুত্ব দিয়ে মোট নম্বর নির্ধারণ করা হবে। সবচেয়ে বেশি মোট নম্বর পাওয়া প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার সুপারিশ করবে মূল্যায়ন কমিটি।সহজভাবে বিষয়টি বোঝাতে মোট নম্বর ১০০ ধরা যায়। কোনো প্রতিষ্ঠান মানের অংশে ৮০ নম্বরের মধ্যে ৭২ এবং দামের অংশে ২০ নম্বরের মধ্যে ১৬ পেলে তার মোট হবে ৮৮। অন্য প্রতিষ্ঠান মানে ৬৪ এবং দামে পুরো ২০ পেলেও মোট হবে ৮৪। তখন প্রথম প্রতিষ্ঠানটি এগিয়ে থাকবে। এটি শুধু পদ্ধতি বোঝানোর উদাহরণ; প্রকৃত নম্বর দেওয়ার বিস্তারিত মানদণ্ড খসড়ায় নেই।মান ও দামের নম্বর মিলিয়ে নির্বাচনের ধারণা সেপ্টেম্বরের অধ্যাদেশেও ছিল। তবে সেখানে দুই অংশের নম্বরের নির্দিষ্ট অনুপাত দেওয়া হয়নি। এবারের খসড়ায় সরাসরি ৮০:২০ অনুপাত নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।খসড়া অনুযায়ী, দরপত্রের দলিলে মূল্যায়নের মানদণ্ড আগে থেকেই জানাতে হবে। মূল্যায়ন কমিটিকে সেই মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া প্রতিষ্ঠানের চুক্তি বাস্তবায়নের যোগ্যতা ও আর্থিক সামর্থ্যও চূড়ান্ত সুপারিশের আগে যাচাই করা হবে। এই বিশেষ ব্যবস্থার বাইরের অন্যান্য প্রযোজ্য কেনাকাটায় সর্বনিম্ন মূল্যায়িত যোগ্য দরপত্রদাতা নির্বাচনের বিধান বহাল থাকবে।.মান ও দামের নম্বরের প্রতিযোগিতায় যাওয়ার আগে ঠিকাদারের দেওয়া দর নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে থাকতে হবে। কোনো কাজের দরপত্র ডাকার আগে সরকারি দপ্তর হিসাব করে, সেটি করতে কত টাকা লাগতে পারে। এটিকে বলা হয় দাপ্তরিক প্রাক্কলিত ব্যয়।খসড়া অনুযায়ী, দেশের ভেতরে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে নির্মাণকাজ ও ভৌত সেবা কেনার ক্ষেত্রে দাপ্তরিক প্রাক্কলিত ব্যয়ের চেয়ে ১০ শতাংশের বেশি কম বা বেশি দর দেওয়া হলে তা বাতিল হবে।কোনো কাজের সরকারি হিসাব ১০ কোটি টাকা হলে গ্রহণযোগ্য দরের সীমা হবে ৯ কোটি থেকে ১১ কোটি টাকা। কোনো প্রতিষ্ঠান ৯ কোটি টাকার কমে কাজ করতে চাইলেও তার দরপত্র বাতিল হবে। আবার ১১ কোটি টাকার বেশি দর দিলেও প্রতিষ্ঠানটি প্রতিযোগিতা থেকে বাদ পড়বে।নির্মাণকাজে আগে ১০ শতাংশের এই সীমা ছিল। ২০২৫ সালের সংস্কারে তা তুলে দেওয়া হয়। চলতি বছরের এপ্রিলের সংশোধনী আইন ও সেপ্টেম্বরের অধ্যাদেশে অস্বাভাবিক কম দর যাচাইয়ের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। এবার নির্ধারিত সীমার বাইরের দর সরাসরি বাতিলের প্রস্তাব এসেছে।এ ব্যবস্থায় সরকারি দপ্তরের ব্যয়ের হিসাবও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হবে। কারণ, ওই হিসাবের ভিত্তিতেই প্রথমে নির্ধারিত হবে কোন দরগুলো প্রতিযোগিতায় থাকবে। এরপর গ্রহণযোগ্য দরপত্রগুলোর মান ও দামের নম্বর মিলিয়ে ঠিকাদার বাছাই করা হবে।.সরকারি কেনাকাটায় দেশে উৎপাদিত পণ্যকে অগ্রাধিকার এবং নির্দিষ্ট শ্রেণির দেশীয় পণ্য কেনা বাধ্যতামূলক করার ক্ষমতা সরকারকে দেওয়ার বিধান রয়েছে। বিদেশি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সরকারি ক্রয়ে অংশ নিতে চাইলে বাংলাদেশি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগ গঠন করতে হবে। এসব বিধান সেপ্টেম্বরের অধ্যাদেশেও ছিল।দুর্নীতি, প্রতারণা, জালিয়াতি, আঁতাত, জবরদস্তি কিংবা কাজে ব্যর্থতার কারণে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট মেয়াদে সরকারি ক্রয়ে অংশ নেওয়ার অযোগ্য ঘোষণা করা যাবে। তবে সিদ্ধান্তের আগে অভিযোগ জানিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে। চুক্তি অনুযায়ী কাজ বুঝে নেওয়ার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের অবহেলা বা ব্যর্থতার জন্যও জবাবদিহির বিধান রয়েছে।সরকারি ক্রয়বিশেষজ্ঞ ফারুক হোসেন বলেন, নতুনদের সুযোগ বাড়াতে গিয়ে বিশেষ কাউকে অন্যায্য সুবিধা দেওয়া যাবে না। তালিকাভুক্তি ও ঠিকাদার নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ থাকলে কাজের মান ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই সবার জন্য সমান প্রতিযোগিতার পরিবেশ এবং কাজের মান—দুটিই নিশ্চিত করতে হবে।
Source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/mrb2j3oezg
মন্তব্য করুন