৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩০ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

আমার চিন্তা— রস+আলো আমাকে সামলাতে পারবে তো! মিশা সওদাগর

বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় খল চরিত্রের অভিনেতা মিশা সওদাগর। তিন যুগ ধরে অভিনয় চালিয়ে যাচ্ছেন। এই মুহূর্তে পরিবারের সঙ্গে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে। সেখান থেকে বুধবার বাংলাদেশ সময় মধ্যরাতে রস+আলোর মুখোমুখি হলেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মনজুর কাদের।.নায়কের মুখোমুখি তো অনেক হয়েছেন। এবার রস+আলোর মুখোমুখি। কেমন লাগছে?বাংলাদেশের সব নায়ক–নায়িকার মুখোমুখি হয়ে এখনো যেহেতু সম্মানের সাথে দাঁড়িয়ে আছি, রস+আলোর মুখোমুখি হয়েও নিজের সম্মানটা বজায় রাখতে পারব। খুবই স্বাভাবিক লাগছে, খানিকটা সাসপিশিয়াসও লাগছে! আজকের প্রশ্নগুলো কিন্তু কঠিন, একদম আপনার ডায়ালগগুলোর মতো। সামলাতে পারবেন তো?তিন দশকে কঠিন থেকে কঠিন সব সময় যেহেতু পার করেছি, এটা সামলানো কোনো সমস্যাই না। আমার চিন্তা, রস+আলো আমাকে সামলাতে পারবে তো! তাহলে শুরু করি। আপনার ব্রেন কি শুধু বড় পর্দায়ই চালু, নাকি ব্যক্তিগত জীবনেও অনেক চালু? কিছু কিছু সংলাপ জীবনের দর্শন হয়ে যায়। মূল বিষয় হচ্ছে, সব পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেওয়া, তাই ডায়ালগ হওয়া উচিত—নাম আমার লালু, ব্রেনটা বড়ই চালু, প্রয়োজনে নিজের ব্রেনকে করব মসৃণ আর ঢালু….আপনার চৌদ্দপুরুষ নাকি জমিদার ছিল? কথা কি সত্য? চৌদ্দপুরুষের ইতিহাস জানি না, তিনপুরুষের ইতিহাস জানি। আমার দাদা জুম্মন সওদাগর, বাবা উসমান সওদাগর, আমি মিশা সওদাগর। আমি তিন যুগ ধরে আমার সওদাগরি অক্ষুণ্ন রেখেছি।আপনার পছন্দের রং কী?ঋতুভেদে যেমন মৌসুমের পরিবর্তন হয়, তেমনি আমার রংও পরিবর্তনশীল। আবহাওয়া ও ঋতু অনুযায়ী কখনো সাদা, কখনো কালো, কখনো সোনালি।আপনি সবার চাট্টিবাট্টি গোল করে ফেলতে চান কেন? পৃথিবী একটা বড় স্টেডিয়াম, এখানে মানুষ তার সর্বোচ্চ দিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে চায়। যে সামনে থাকবে, সে-ই উত্তম। সবাই তাই নিজ নিজ চাট্টিবাট্টি গোল করে নিজের যোগ্যতায় উত্তম হতে চায়। এটাই আমার নেশা।আপনাকে নিয়ে তো মিমের ছড়াছড়ি, চোখে পড়ে সব?পৃথিবীতে মানুষ একটু বিনোদিত হতে চায় আর আমাদের চেষ্টা থাকে বিনোদিত করার। তাই আমাকে নিয়ে মিমের এত ছড়াছড়ি। চোখে পড়ে, মজাই লাগে, আমিও বিনোদিত হই।কোন মিমটা বেশি পছন্দের?ছবির নাম, বলো না কবুল। ওখানে নায়িকাকে কাজি সাহেব কবুল বলতে বলে, কিন্তু নায়িকা দেরি করে। তখন আমি জোরে একটা ঝাড়ি দিয়ে বলি, বল কবুল। যখন কবুল বলে, তখন কাজি সাহেবকে লাথি মারি। এটাই সবচেয়ে ভাইরাল, সবচেয়ে মজার!.নেত্রী হওয়ার সাহসই নেই!
–সাবিলা নূর.পর্দার খলনায়কের মতো মিশা সওদাগরও কি DMC (ধরো, মারো, ছাড়ো)-তে বিশ্বাসী? সময়ের সাথে সাথে বোধ আর বিচারের পরিবর্তন হয়। ওই সময় ডিএমসি ছিল—ধরো, মারো ছাড়ো। আর এখন আমার ডিএমসি—ডেডিকেশন, মেডিটেশন অ্যান্ড কনসেনট্রেশন। আপনার সবচেয়ে পছন্দের ডায়ালগ কোনটা?পছন্দের ডায়ালগ তো অনেকগুলো, কোনটা রেখে কোনটা বলি! এ মুহূর্তে মনে পড়ছে, ‘জয়কালে ক্ষয় নাই, মরণকালে ওষুধ নাই!’ আপনার কোনো একটা ডায়ালগ যদি রস+আলোকে ডেডিকেট করতে বলা হয়, তাহলে কোন ডায়ালগ দেবেন?আরিয়ান মির্জা আমার ছেলে, আমার পৃথিবী। পৃথিবীর সবখানে হাত দিলেও এই একটি জায়গায় হাত দেওয়া যাবে না। যদি হাত দেন, তাহলে আপনার এমন জায়গায় হাত দেব, আপনার অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে!

Source: https://www.prothomalo.com/fun/w7jkcfd4dv

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি

১

বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ জানতে তদন্ত কমিটি

২

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে নিহত ১০ জনের মরদেহ স্বজনের কাছে হস্তান্তর

৩

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুনে নিহত ১০ জনের মরদেহ স্বজনের কাছে হস্তান্তর

৪

হুমকিতে বন্ধ, রাজশাহীতে পুলিশের উপস্থিতিতে খুলল সার ডিলারের দোকান

৫

হুমকিতে বন্ধ, রাজশাহীতে পুলিশের উপস্থিতিতে খুলল সার ডিলারের দোকান

৬

‘নন্দিত নরকে’: মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্পে মানবজীবনের বেদনা

৭

‘নন্দিত নরকে’: মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্পে মানবজীবনের বেদনা

৮

‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

৯

‘ক্রসফায়ারের’ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স, আইজিপির বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১০

যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় জাতিগত নিধন চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল: জাতিসংঘের তদন্ত

১১

জাফর ইকবাল, মাকসুদ কামালসহ পাঁচ আসামিকে আত্মসমর্পণ করতে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ

১২

কী নিয়ে বিরক্ত হন দীঘি?

১৩

ডিকশনারি ডটকমের বর্ষসেরা শব্দ ‘ম্যাক্সিং’, এর অর্থ কী

১৪

অভিষেকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি, নিউজিল্যান্ডকে টি–টুয়েন্টি শেখাল ভারত

১৫

অভিষেকের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি, নিউজিল্যান্ডকে টি–টুয়েন্টি শেখাল ভারত

১৬

নিজের নামে রেলওয়েতে প্রায় কোটি টাকার বিল, জানেনই না গৃহিণী কোহিনূর

১৭

নিজের নামে রেলওয়েতে প্রায় কোটি টাকার বিল, জানেনই না গৃহিণী কোহিনূর

১৮

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন চার ধাপে, ১ নভেম্বর শুরু

১৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৪তম সমাবর্তনে আবেদন চার ধাপে, ১ নভেম্বর শুরু

২০