বাতাসে ডাল দুললেও পাখি কেন পড়ে যায় না তা নিয়ে অনেকেরই কৌতূহল রয়েছে। ২০১৯ সালের একটি সমীক্ষায় বলা হয়, পাখিরা ডালের নড়াচড়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। ম্যান্ডারিন ডায়মন্ড বার্ড নিয়ে করা এক ডিজিটাল মডেলে গবেষকেরা বিষয়টি পরীক্ষা করেছেন। তাঁদের মতে, হাড় পেশি ও টেন্ডন একসঙ্গে মিলে একটি স্থিতিশীল ব্যবস্থা তৈরি করে। টেন্ডনের শক্তভাব ছোট ধাক্কা সামলাতে সাহায্য করে। এর ফলে সামান্য বাতাসেও পাখি নিরাপদে ঘুমাতে পারে।
কাঠঠোকরা বা টিয়ার পাখির পায়ের গঠন অন্য রকম হওয়ায় তাদের বসার ধরনও আলাদা। মানুষের মতো সচেতন নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও পাখির শারীরিক গঠন তাদের নিরাপদে রাখে। এই চমৎকার শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য পাখিদের প্রকৃতির বুকে টিকে থাকতে সাহায্য করে।
বাতাসে ডাল দুললেও পাখি কেন পড়ে যায় না তা নিয়ে অনেকেরই কৌতূহল রয়েছে। ২০১৯ সালের একটি সমীক্ষায় বলা হয়, পাখিরা ডালের নড়াচড়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। ম্যান্ডারিন ডায়মন্ড বার্ড নিয়ে করা এক ডিজিটাল মডেলে গবেষকেরা বিষয়টি পরীক্ষা করেছেন। তাঁদের মতে, হাড় পেশি ও টেন্ডন একসঙ্গে মিলে একটি স্থিতিশীল ব্যবস্থা তৈরি করে। টেন্ডনের শক্তভাব ছোট ধাক্কা সামলাতে সাহায্য করে। এর ফলে সামান্য বাতাসেও পাখি নিরাপদে ঘুমাতে পারে।
কাঠঠোকরা বা টিয়ার পাখির পায়ের গঠন অন্য রকম হওয়ায় তাদের বসার ধরনও আলাদা। মানুষের মতো সচেতন নিয়ন্ত্রণ ছাড়াও পাখির শারীরিক গঠন তাদের নিরাপদে রাখে। এই চমৎকার শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য পাখিদের প্রকৃতির বুকে টিকে থাকতে সাহায্য করে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
Source: https://www.prothomalo.com/technology/science/s6ltu8yvbv
মন্তব্য করুন