সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই বছর বয়সে বাবা মারা যাওয়ার পর সন্তানকে একা হাতে কষ্ট করে বড় করেছিলেন তরুণের মা। কিন্তু বড় হয়ে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সেই ছেলেই এখন মাকে নিয়ে লজ্জা পাচ্ছেন। বিয়েতে দাওয়াত না দিয়ে উল্টো অনুষ্ঠানের দিন কারখানার পাশে একটি জায়গায় মাকে একা বসিয়ে রেখেছিলেন।
মায়ের প্রতি তরুণ কর্মীর এমন অকৃতজ্ঞ আচরণে ক্ষুব্ধ হন পেইচুন। চাকরিচ্যুতির শিকার হওয়ার পর ছেলেটি চাকরি ফিরে পাওয়ার জন্য আকুতি-মিনতি করলেও নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন তিনি। সাফ জানিয়ে দেন, তাঁর প্রতি প্রতিষ্ঠান কোনো দয়া দেখাবে না। অথচ কর্মীদের বড় অঙ্কের বোনাস দেওয়ার জন্য পেইচুনের সুনাম রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি ঘিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।
সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট–এর প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই বছর বয়সে বাবা মারা যাওয়ার পর সন্তানকে একা হাতে কষ্ট করে বড় করেছিলেন তরুণের মা। কিন্তু বড় হয়ে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সেই ছেলেই এখন মাকে নিয়ে লজ্জা পাচ্ছেন। বিয়েতে দাওয়াত না দিয়ে উল্টো অনুষ্ঠানের দিন কারখানার পাশে একটি জায়গায় মাকে একা বসিয়ে রেখেছিলেন।
মায়ের প্রতি তরুণ কর্মীর এমন অকৃতজ্ঞ আচরণে ক্ষুব্ধ হন পেইচুন। চাকরিচ্যুতির শিকার হওয়ার পর ছেলেটি চাকরি ফিরে পাওয়ার জন্য আকুতি-মিনতি করলেও নিজের সিদ্ধান্তে অটল থাকেন তিনি। সাফ জানিয়ে দেন, তাঁর প্রতি প্রতিষ্ঠান কোনো দয়া দেখাবে না। অথচ কর্মীদের বড় অঙ্কের বোনাস দেওয়ার জন্য পেইচুনের সুনাম রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি ঘিরে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে।
Source: https://www.prothomalo.com/world/china/zadep7j635
মন্তব্য করুন