কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন আর ভবিষ্যতের কোনো কল্পবিজ্ঞান নয়। লেখা তৈরি, তথ্য বিশ্লেষণ, ছবি বানানো থেকে শুরু করে শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসা—জীবনের নানা ক্ষেত্রে এআই দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। কিন্তু প্রযুক্তির এই অগ্রগতির সঙ্গে একটি মৌলিক প্রশ্নও সামনে আসছে—এআই কী করতে পারে, তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ কী নয়; এআইয়ের কী করা উচিত?
এআই মানুষের কাজ দ্রুত ও সহজ করতে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে এটি ভুল তথ্য সরবরাহ করতে পারে, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ঝুঁকিতে ফেলতে পারে এবং পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্তকে আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে দিতে পারে। কোনো এআই ব্যবস্থা যদি চাকরি, চিকিৎসা বা ঋণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ভুল সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে প্রশ্ন ওঠে—এর দায়িত্ব কার?
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এখন আর ভবিষ্যতের কোনো কল্পবিজ্ঞান নয়। লেখা তৈরি, তথ্য বিশ্লেষণ, ছবি বানানো থেকে শুরু করে শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসা—জীবনের নানা ক্ষেত্রে এআই দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। কিন্তু প্রযুক্তির এই অগ্রগতির সঙ্গে একটি মৌলিক প্রশ্নও সামনে আসছে—এআই কী করতে পারে, তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ কী নয়; এআইয়ের কী করা উচিত?
এআই মানুষের কাজ দ্রুত ও সহজ করতে পারে। কিন্তু একই সঙ্গে এটি ভুল তথ্য সরবরাহ করতে পারে, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ঝুঁকিতে ফেলতে পারে এবং পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্তকে আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে দিতে পারে। কোনো এআই ব্যবস্থা যদি চাকরি, চিকিৎসা বা ঋণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ভুল সিদ্ধান্ত দেয়, তাহলে প্রশ্ন ওঠে—এর দায়িত্ব কার?
Source: https://nagorik.prothomalo.com/ayojon/wracdaxsby
মন্তব্য করুন