খুলনা নগরীসহ পুরো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল খুলনা জেনারেল (সদর) হাসপাতাল। অথচ বর্তমানে সেই হাসপাতালের সিঁড়ির পাশে, নোংরা বারান্দায় কিংবা খোলা মেঝেতে শুয়ে কাতরাচ্ছে শত শত অসহায় রোগী। ২০১৭ সালে হাসপাতালটিকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার সরকারি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সাড়ে নয় বছর পার হলেও শয্যা বেড়েছে মাত্র ১০টি! এটি খুবই হতাশাজনক।
হাসপাতালের পরিসংখ্যানই বলে দেয় সাধারণ মানুষের জন্য প্রতিষ্ঠানটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন গড়ে প্রায় এক হাজার রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসে। অথচ বছরের পর বছর ধরে এখানে শয্যাসংকট নিত্যদিনের চিত্র। রোগীতে ঠাসা এই হাসপাতালের অবকাঠামোগত অবস্থাও আশঙ্কাজনক; পুরোনো মূল ভবনের একাংশ ইতিমধ্যে পরিত্যক্ত ঘোষিত হয়েছে এবং বাকি অংশটুকুও দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছে। অন্যদিকে নতুন ১২ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে ছয়তলা পর্যন্ত নির্মাণের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তা–ও প্রকল্প বাতিল ও ঠিকাদারি জটিলতার ঘুরপাক খেতেই পার হয়ে গেছে বছরের পর বছর।
খুলনা নগরীসহ পুরো দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম প্রধান ভরসাস্থল খুলনা জেনারেল (সদর) হাসপাতাল। অথচ বর্তমানে সেই হাসপাতালের সিঁড়ির পাশে, নোংরা বারান্দায় কিংবা খোলা মেঝেতে শুয়ে কাতরাচ্ছে শত শত অসহায় রোগী। ২০১৭ সালে হাসপাতালটিকে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার সরকারি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সাড়ে নয় বছর পার হলেও শয্যা বেড়েছে মাত্র ১০টি! এটি খুবই হতাশাজনক।
হাসপাতালের পরিসংখ্যানই বলে দেয় সাধারণ মানুষের জন্য প্রতিষ্ঠানটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন গড়ে প্রায় এক হাজার রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসে। অথচ বছরের পর বছর ধরে এখানে শয্যাসংকট নিত্যদিনের চিত্র। রোগীতে ঠাসা এই হাসপাতালের অবকাঠামোগত অবস্থাও আশঙ্কাজনক; পুরোনো মূল ভবনের একাংশ ইতিমধ্যে পরিত্যক্ত ঘোষিত হয়েছে এবং বাকি অংশটুকুও দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছে। অন্যদিকে নতুন ১২ তলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে ছয়তলা পর্যন্ত নির্মাণের যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তা–ও প্রকল্প বাতিল ও ঠিকাদারি জটিলতার ঘুরপাক খেতেই পার হয়ে গেছে বছরের পর বছর।
Source: https://www.prothomalo.com/opinion/editorial/yowvmwuauy
মন্তব্য করুন