৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

নেপালের বন্যায় যেভাবে টিকে গেল সবুজ রঙের বহুতল ভবন

নেপালের নুওয়াকোট জেলার ত্রিশূলী শহরে আঘাত হানা এই আকস্মিক বন্যায় মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে নদীর পানির স্তর ৯ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল। জানা গেছে, হিমালয়ের একটি গ্লেসিয়ার বা হিমবাহের ভাঙা অংশ নদীতে আছড়ে পড়ার কারণেই বরফ শিলা ও কাদামাটির এক প্রলয়ংকরী স্রোত তৈরি হয়েছিল। উপত্যকার অধিকাংশ ঘরবাড়ি ও সেতু মুহূর্তের মধ্যে ধসে পড়লেও নদীর তীরে থাকা সবুজ রঙের বহুতল ভবনটি টিকে থাকে। বাড়িটির টিকে থাকার রহস্য তুলে ধরে ইউনিভার্সিটি অব দ্য সানশাইন কোস্টের প্রকৌশল বিভাগের প্রধান অ্যাড্রিয়ান ম্যাককালাম জানিয়েছে, কংক্রিট ও রিইনফোর্সড স্টিল বা রড দিয়ে তৈরি ভবনটির ভিত্তি শক্ত পাথরের ওপর স্থাপন করায় তীব্র স্রোতের আঘাত সহ্য করতে পেরেছে। পানিপ্রবাহের গতিপ্রকৃতিও বাড়িটিকে রক্ষা করতে বড় ভূমিকা রেখেছে। ভবনটির ঠিক উজানে ছোট একটি উঁচু ভূখণ্ড বা হেডল্যান্ড ছিল। সেই প্রাকৃতিক ঢাল নদীর প্রধান স্রোতকে দুই পাশে ভাগ করে দেয়। ফলে বন্যার পানির মূল ধাক্কা সরাসরি ভবনটির ওপর আঘাত করেনি।

প্রকৌশলগত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ভবনটির উচ্চ ভিত্তি বা ফ্লোটিং মেকানিজম। অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহ্যবাহী কুইন্সল্যান্ডার বাড়ির মতো ভবনটির নিচ দিয়ে পানি সহজে বয়ে যাওয়ার কারণে মূল কাঠামোর ওপর চাপ কম পড়েছে। ফলে চারপাশের ভবনগুলো ধসে পড়লেও এই বৈজ্ঞানিক কাঠামোর কারণে ভবনটি টিকে থাকে।

নেপালের নুওয়াকোট জেলার ত্রিশূলী শহরে আঘাত হানা এই আকস্মিক বন্যায় মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে নদীর পানির স্তর ৯ মিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল। জানা গেছে, হিমালয়ের একটি গ্লেসিয়ার বা হিমবাহের ভাঙা অংশ নদীতে আছড়ে পড়ার কারণেই বরফ শিলা ও কাদামাটির এক প্রলয়ংকরী স্রোত তৈরি হয়েছিল। উপত্যকার অধিকাংশ ঘরবাড়ি ও সেতু মুহূর্তের মধ্যে ধসে পড়লেও নদীর তীরে থাকা সবুজ রঙের বহুতল ভবনটি টিকে থাকে। বাড়িটির টিকে থাকার রহস্য তুলে ধরে ইউনিভার্সিটি অব দ্য সানশাইন কোস্টের প্রকৌশল বিভাগের প্রধান অ্যাড্রিয়ান ম্যাককালাম জানিয়েছে, কংক্রিট ও রিইনফোর্সড স্টিল বা রড দিয়ে তৈরি ভবনটির ভিত্তি শক্ত পাথরের ওপর স্থাপন করায় তীব্র স্রোতের আঘাত সহ্য করতে পেরেছে। পানিপ্রবাহের গতিপ্রকৃতিও বাড়িটিকে রক্ষা করতে বড় ভূমিকা রেখেছে। ভবনটির ঠিক উজানে ছোট একটি উঁচু ভূখণ্ড বা হেডল্যান্ড ছিল। সেই প্রাকৃতিক ঢাল নদীর প্রধান স্রোতকে দুই পাশে ভাগ করে দেয়। ফলে বন্যার পানির মূল ধাক্কা সরাসরি ভবনটির ওপর আঘাত করেনি।

প্রকৌশলগত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, ভবনটির উচ্চ ভিত্তি বা ফ্লোটিং মেকানিজম। অস্ট্রেলিয়ার ঐতিহ্যবাহী কুইন্সল্যান্ডার বাড়ির মতো ভবনটির নিচ দিয়ে পানি সহজে বয়ে যাওয়ার কারণে মূল কাঠামোর ওপর চাপ কম পড়েছে। ফলে চারপাশের ভবনগুলো ধসে পড়লেও এই বৈজ্ঞানিক কাঠামোর কারণে ভবনটি টিকে থাকে।

Source: https://www.prothomalo.com/technology/science/tc3ntph0yh

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ঘরোয়াভাবে কাবিন হয়েছিল, বিয়ের অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে, তার আগেই বর্ষার মৃত্যু

১

গবেষণার তথ্য: ফেসবুক ও মেসেঞ্জারে নারীর প্রতি সহিংসতা বেশি

২

পাকিস্তান সরকার ইমরান খানকে হত্যার চেষ্টা করছে: ছেলে সুলাইমানের অভিযোগ

৩

২০ বছর পর সার্জেন্ট পদে ৮৪ ও এসআই পদে ১৬২ জন যোগ দিচ্ছেন

৪

বাল্যবিবাহ ও সাইবার বুলিং প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সচেতন করলেন বন্ধুরা

৫

বিদায়, জান্থি!

৬

জলবায়ু অর্থায়ন প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য

৭

বিধান পরিষদ নির্বাচন বিজেপি ও কংগ্রেসকে চিন্তায় ফেলে দিল

৮

সচিবালয় স্থানান্তরের প্রতিবাদে আগারগাঁওয়ে সড়ক অবরোধ শেকৃবির শিক্ষার্থীদের

৯

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ১১

১০

দুর্বল হয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, দেশের কিছু স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা

১১

রাষ্ট্র যখন তার স্রষ্টাদের সম্মান জানাতে সংকটে পড়ে

১২

সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

১৩

আলভারেজ না পাজ—আর্জেন্টিনার ১০ নম্বর জার্সি কার

১৪

ছিনতাইকারীর কবলে এক রাত

১৫

মা-বাবাকে নামাজের দাওয়াত যেভাবে দেবেন

১৬

আরব দলগুলোর রেকর্ড সাফল্যের পর ‘ভোট চুরির’ অভিযোগ নেতানিয়াহুর দলের

১৭

নির্যাতনের কথা জানাতে গভীর রাতে বাবাকে ভিডিও কল, সংযোগ বিচ্ছিন্ন, বাসায় গিয়ে পেলেন মৃত্যুর খবর

১৮

নেতানিয়াহুকে সরাতে আরব দলগুলোর সঙ্গে ঐক্যের ডাক গোলানের

১৯

বছরের শেষ নাগাদ পণ্যের দাম বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক

২০