বার্তা বিভাগ
১৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

বরিশালের জুয়ার আসর থেকে ঢাকার ওয়ান্ডার্স ক্লাব—কনস্টেবল মানিককে ঘিরে বিস্ফোরক অভিযোগ !

সরকার বদলেছে, বদলেছে কর্মস্থল—কিন্তু বদলায়নি কি জুয়ার নেটওয়ার্ক? পুলিশের পোশাকের আড়ালে ‘আন্দার-বাহার’ নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ ?

ওয়ান্ডার্স ক্লাবের সভাপতি হিসেবে রয়েছে দক্ষিণ সিটির প্রশাসক আবদুস সালাম আর এই ক্ষমতার প্রভাবে চলছে আন্দার বাহার নামক ক্যাসিনো জুয়া !

বিশেষ অনুসন্ধান | স্টাফ রিপোর্টার

আইন হাতে থাকার কথা তাঁর। অপরাধ ঠেকানোর কথা তাঁর।
জুয়া, মাদক ও অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্বও তাঁরই।

কিন্তু অভিযোগ উঠেছে—পুলিশের সেই পোশাকই কি এখন পরিণত হয়েছে প্রভাব বিস্তারের ঢাল হিসেবে?

সূত্র জানায়, ক্ষমতার দ্বৈত ভূমিকায় প্রশ্নের মুখে ক্লাব—পুলিশের পোশাকে জুয়ার সম্রাট মানিকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে প্রশাসনিক প্রভাবের প্রশ্ন !

ওয়ান্ডার্স ক্লাবকে ঘিরে কথিত ‘আন্দার-বাহার’ জুয়ার অভিযোগের অনুসন্ধানে এবার সামনে এসেছে আরও গুরুত্বপূর্ণ এক পরিচয়। ক্লাবের সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম—যিনি বর্তমানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

প্রকাশ্য সূত্র অনুযায়ী, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে আবদুস সালামকে ঢাকা ওয়ান্ডার্স ক্লাবের সভাপতি করা হয়। পরে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে সরকার তাঁকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়। প্রশাসক হিসেবে তিনি মেয়রের ক্ষমতা ও দায়িত্বও পালন করছেন। আর এই ক্ষমতার প্রভাবে চলছে আন্দার বাহার নামক ক্যাসিনো জুয়া ?

এখন জনমনে কথা হচ্ছে পুলিশ কনস্টেবল মানিককে ঘিরে।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বরিশালে কর্মরত থাকা অবস্থায় বছরের পর বছর একটি জুয়ার আসর পরিচালনার সঙ্গে তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল। সময় বদলেছে। রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। এরপর বদলি হয়ে ঢাকায় যোগ দিয়েছেন তিনি।

কিন্তু অভিযোগ এখানেই শেষ নয়।

বরং ঢাকায় এসে তাঁর বিরুদ্ধে উঠেছে আরও গুরুতর অভিযোগ—রাজধানীর মতিঝিল থানা এলাকার ওয়ান্ডার্স ক্লাবকে ঘিরে ‘আন্দার-বাহার’ নামের কথিত জুয়ার আসর পরিচালনায় তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে।

প্রশ্ন উঠছে—
বরিশাল থেকে ঢাকা—শুধু কর্মস্থল বদলেছে, নাকি জুয়ার নেটওয়ার্কও বদলে নিয়েছে ঠিকানা?

বরিশালের পুরোনো অধ্যায় কি ফিরে এসেছে ঢাকায়?

স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, বরিশালে কর্মরত থাকার সময় কনস্টেবল মানিককে ঘিরে জুয়ার আসর পরিচালনার অভিযোগ নতুন নয়। অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে সেখানে জুয়ার কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে একটি প্রভাববলয় তৈরি হয়েছিল। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট সময়ের সরকারি নথি, বিভাগীয় তদন্তের তথ্য, মামলা বা থানার রেকর্ড যাচাই করা প্রয়োজন।

কিন্তু অনুসন্ধানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি অন্য জায়গায়—

যদি তাঁর বিরুদ্ধে অতীতে এমন অভিযোগ থেকেই থাকে, তাহলে ঢাকায় বদলির পর তাঁর কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিভাগীয় পর্যায়ে কোনো নজরদারি ছিল কি না?

* আর যদি কোনো অভিযোগই সত্য না হয়ে থাকে, তাহলে সেই অভিযোগের উৎস কোথায়?

* আন্দোলনের পর বদলি—তারপর ঢাকায় নতুন অধ্যায় ?

অভিযোগকারীদের দাবি, রাজনৈতিক আন্দোলনের পর কনস্টেবল মানিককে বরিশাল থেকে বদলি করা হয় এবং পরে তিনি ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে যোগ দেন।

এই বদলি ছিল কি নিছক প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত?

* নাকি এর পেছনে কোনো অভিযোগ, তদন্ত কিংবা স্থানীয় পর্যায়ের চাপ ছিল?

* এই প্রশ্নের উত্তর মিলবে সরকারি নথি যাচাই করলেই।

কিন্তু এখন যে অভিযোগটি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে, সেটি হলো—ঢাকায় এসে তিনি কি আবারও জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হয়েছেন?

ওয়ান্ডার্স ক্লাবের দরজা কি আবার খুলেছে জুয়ার জন্য?

রাজধানীর মতিঝিলের ওয়ান্ডার্স ক্লাবের নাম জুয়া বা ক্যাসিনো প্রসঙ্গে নতুন নয়। ২০১৯ সালের ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের সময় ওয়ান্ডার্স ক্লাবেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালিয়েছিল। সে সময় ক্লাবটিতে ক্যাসিনো পরিচালনার অভিযোগ, জুয়ার সামগ্রী ও নগদ অর্থ উদ্ধারের খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

অর্থাৎ ইতিহাস বলছে—
এই ক্লাবের ভেতরে জুয়ার অভিযোগ একেবারে নতুন কোনো বিষয় নয়।

এখন নতুন করে যদি সেখানে ‘আন্দার-বাহার’ নামে কোনো জুয়ার আসর পরিচালিত হওয়ার অভিযোগ ওঠে, তাহলে সেটি স্বাভাবিকভাবেই তদন্তের দাবি রাখে। আর সেই অভিযোগের সঙ্গে যদি একজন কর্মরত পুলিশ সদস্যের নাম যুক্ত হয়, তাহলে বিষয়টির গুরুত্ব আরও কয়েকগুণ বেড়ে যায়।

আন্দার-বাহার’—কার নিয়ন্ত্রণে ?

অভিযোগ রয়েছে, ক্লাবের ভেতরে ‘আন্দার-বাহার’ নামে কথিত জুয়ার আসর বসে।

প্রশ্ন হলো—কারা খেলোয়াড় সংগ্রহ করছে?
কারা অর্থের হিসাব রাখছে?
কারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে?
কারা প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করছে?

কারা পুলিশি ঝামেলা এড়ানোর ব্যবস্থা করছে?

আর সবশেষে— কনস্টেবল মানিকের ভূমিকা আসলে কী?

তিনি কি শুধু সেখানে উপস্থিত থাকেন?

কোনো নিরাপত্তা বা যোগাযোগের ভূমিকা পালন করেন?

নাকি অভিযোগ অনুযায়ী জুয়ার কার্যক্রম পরিচালনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত?

এসব প্রশ্নের উত্তর অনুমান করে নয়—প্রমাণ দিয়ে বের করা দরকার।

পুলিশ সদস্যের নাম কেন বারবার আসছে?

একজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠলে বিষয়টি সাধারণ কোনো অভিযোগ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ পুলিশ সদস্যের কাছে থাকে—

– আইন প্রয়োগের ক্ষমতা;
– অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ;
– সংশ্লিষ্ট থানার কর্মকর্তা ও সদস্যদের সঙ্গে পেশাগত যোগাযোগ;
– অপরাধ সংক্রান্ত তথ্য জানার সুযোগ;
– এবং সবচেয়ে বড় কথা, ইউনিফর্মের কারণে সাধারণ মানুষের চোখে একটি আলাদা কর্তৃত্ব।

এই ক্ষমতা যদি কোনো অবৈধ কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয়— তাহলে সেটি শুধু ব্যক্তিগত অনিয়ম নয়; বরং আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার প্রতি আস্থার জন্যও বড় আঘাত।

‘পুলিশের লোক’ পরিচয় কি জুয়ার আসরের নিরাপত্তার ঢাল?

অনুসন্ধানের সবচেয়ে বিস্ফোরক প্রশ্ন এখানেই।

একজন পুলিশ সদস্যের পরিচয় কি জুয়ার আসরের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের জন্য নিরাপত্তার আবরণ হিসেবে কাজ করছে?

কোনো অভিযান হলে আগাম খবর পৌঁছে যায় কি?
কোনো ঝামেলা হলে পুলিশি যোগাযোগ ব্যবহার করা হয় কি?
ক্লাবের ভেতরের কার্যক্রম সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট থানা অবগত কি না?

এসব প্রশ্নের উত্তর বের করতে হলে শুধু মৌখিক অভিযোগ যথেষ্ট নয়।

প্রয়োজন সিসিটিভি ফুটেজ, ডিউটি রোস্টার, প্রবেশ-নির্গমন রেকর্ড, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য, আর্থিক লেনদেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যোগাযোগের তথ্য যাচাই।

মতিঝিল থানা কি জানে?

ওয়ান্ডার্স ক্লাব মতিঝিল থানা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনা।

তাই প্রশ্ন উঠতেই পারে—

যদি সেখানে নিয়মিত ‘আন্দার-বাহার’ নামে কোনো জুয়ার কার্যক্রম চলে থাকে, তাহলে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কি বিষয়টি জানে?

জেনে থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন আর না জেনে থাকলে— এত গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় একটি কথিত জুয়ার আসর কীভাবে পুলিশের নজর এড়িয়ে চলছে?

পুরনো ক্যাসিনো কাণ্ডের পরও কি একই গল্প?

২০১৯ সালের ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের পর রাজধানীর বিভিন্ন ক্লাবকে ঘিরে ব্যাপক তৎপরতা চালানো হয়েছিল।

সেই সময় একটি বড় বার্তা ছিল—
ক্লাবের আড়ালে জুয়ার সাম্রাজ্য চলতে দেওয়া হবে না।

কিন্তু বছর কয়েক পর আবার যদি একই ধরনের অভিযোগ সামনে আসে, তাহলে প্রশ্ন উঠবেই—

সেই অভিযান কি শুধু সাময়িক ঝড় ছিল?

নাকি জুয়ার আসরগুলো কেবল নাম, কৌশল ও ব্যবস্থাপনা বদলে আবার ফিরে এসেছে?

ওয়ান্ডার্স ক্লাবকে ঘিরে বর্তমান অভিযোগ সেই প্রশ্নই সামনে নিয়ে এসেছে।

মানিকের বিরুদ্ধে তদন্ত হবে কি?

কনস্টেবল আব্দুল কাদের মানিকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সত্য হলে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আসা উচিত।

কারণ কোনো পুলিশ সদস্যকে প্রমাণ ছাড়া অপরাধী বানানো যেমন গ্রহণযোগ্য নয়, তেমনি পুলিশের পরিচয় ব্যবহার করে কেউ অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে থাকলে সেটিও আড়াল করার সুযোগ নেই।

তাই প্রয়োজন— নিরপেক্ষ তদন্ত।
শেষ প্রশ্ন—জুয়ার আসরের পাহারায় আইনরক্ষক?

বরিশালের পুরোনো অভিযোগ থেকে ঢাকার নতুন অভিযোগ।

একদিকে পুলিশের ইউনিফর্ম।

অন্যদিকে ‘আন্দার-বাহার’ নামে কথিত জুয়ার আসর।

মাঝখানে একটি নাম—কনস্টেবল আব্দুল কাদের মানিক।

তবে এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—অভিযোগগুলো সত্য কি না।

কারণ সত্য হলে প্রশ্নটি ভয়াবহ—

আইন ভাঙার বিরুদ্ধে যার হাতে আইন, সেই হাতই যদি জুয়ার টেবিলের পাশে দেখা যায়, তাহলে সাধারণ মানুষ আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার ওপর আস্থা রাখবে কীভাবে?

তাহলে কার স্বার্থে একজন পুলিশ সদস্যের নাম জুয়ার সঙ্গে জড়ানো হচ্ছে?

উভয় ক্ষেত্রেই তদন্ত প্রয়োজন।

কারণ এই অনুসন্ধানের লক্ষ্য কোনো ব্যক্তিকে আগেই দোষী সাব্যস্ত করা নয়।

লক্ষ্য একটাই— ওয়ান্ডার্স ক্লাবের কথিত ‘আন্দার-বাহার’-এর আড়ালে আসলে কারা?

জনমনে শুধু একটি প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে এর পিছনে কি দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ক্লাবের সভাপতি আবদুস সালাম এর প্রভাব ?

আর পুলিশের কোনো সদস্য সত্যিই জড়িত থাকলে—তার পেছনে আর কারা আছে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর বের না হওয়া পর্যন্ত বরিশাল থেকে ঢাকার এই ‘জুয়ার যাত্রা’র গল্প শেষ হচ্ছে না।

বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার মতিঝিল থানার অফিসার ইনচার্জের মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি ।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িংয়ের আরও উড়োজাহাজ কিনবে বাংলাদেশ

সর্পকন্যা আর সাধুর বউয়ের ইমেজ ভেঙে টিল শাড়ির ইভনিং লুকে আবেদন ছড়ালেন সুন্দরী অভিনেত্রী

র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান

সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

যেভাবে মাপা হলো পৃথিবীর বয়স

৪০ বছর পুরোনো চরিত্রে ফিরছেন টম ক্রুজ, সঙ্গী কে

জর্ডানে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের

বড় মাথার যন্ত্রণায় ছটফট করে শিশুটি

নেপাল–তিব্বতে নিহত বেড়ে ৭৯৭, আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি কমেনি

লারাক দ্বীপে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি ইরানের

১০

মক্কা প্রতিরক্ষা জোটের প্রথম বৈঠক সোমবার

১১

ফেসবুকে ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস, নিরাপত্তা চেয়ে ঢাবি শিক্ষক শেহরীনের জিডি

১২

মশা নিধনে ব্যবহৃত ওষুধের কার্যকারিতা বাড়াতে গবেষণা জোরদার করা হচ্ছে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

১৩

‘বাড়িতে গিয়ে দেখি উঠানে স্বামীর লাশ, বুকে দুটি গুলি’

১৪

ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে ১১–দলীয় ঐক্যের প্রার্থী দেলাওয়ার

১৫

চট্টগ্রামে দক্ষিণ জেলা যুবলীগের ব্যানারে মিছিলের প্রস্তুতি, ১৫ জন গ্রেপ্তার, ৮ কিশোর হেফাজতে

১৬

ওয়ালটন-প্রথম আলো বিশ্বকাপ ফুটবল কুইজের পুরস্কার বিতরণ

১৭

সুপারিগাছে উঠতে রাজি না হওয়ায় শিশুকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার

১৮

রান্নার সময় গরুর মাংসের রং সবুজ হওয়ার সম্ভাব্য কারণ জানা গেল

১৯

চর ও দুর্গম এলাকার শিক্ষকদের জন্য দূরত্বভিত্তিক ভাতা চালু হবে: ববি হাজ্জাজ

২০