২৯ আগস্ট ২০২৬, ৬:০০ অপরাহ্ণ
অনলাইন সংস্করণ

সাদিয়ার স্বপ্ন শিক্ষক হওয়ার

জীবনের নানা প্রতিকূলতা ও আর্থিক সীমাবদ্ধতাকে হারিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন মোছা. সাদিয়া আক্তার। প্রথম আলো ট্রাস্ট পরিচালিত রাজশাহী আলোর পাঠশালার এই শিক্ষার্থীর সাফল্য প্রমাণ করেছে—সুযোগ ও সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে প্রতিকূল পরিবেশেও স্বপ্নের শিখরে পৌঁছানো সম্ভব। তিন ভাই ও এক বোনের সংসারে সাদিয়া মেজ। বাবা পেশায় একজন ক্ষুদ্র মাছ ব্যবসায়ী এবং মা গৃহিণী। সীমিত আয়ের পরিবারে সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালানো সহজ ছিল না। তবে সাদিয়ার অদম্য আগ্রহ এবং বাবা-মায়ের নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতার কারণে পড়াশোনা থমকে যায়নি। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে রাজশাহী আলোর পাঠশালা থেকে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এবার সফলভাবে মাধ্যমিকের গণ্ডি পার করেন তিনি।

প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে পরিচালিত রাজশাহী আলোর পাঠশালা দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাবঞ্চিত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। ঝরে পড়া রোধের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখায় এই প্রতিষ্ঠানটি। নিজের অনুভূতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ব্যক্ত করে সাদিয়া জানান, ভবিষ্যতে তিনি একজন শিক্ষক হতে চান। তাঁর ইচ্ছা—নিজের মতো সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়াশোনার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া এবং তাদের স্বপ্ন পূরণের সঙ্গী হওয়া।

জীবনের নানা প্রতিকূলতা ও আর্থিক সীমাবদ্ধতাকে হারিয়ে এসএসসি পরীক্ষায় সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন মোছা. সাদিয়া আক্তার। প্রথম আলো ট্রাস্ট পরিচালিত রাজশাহী আলোর পাঠশালার এই শিক্ষার্থীর সাফল্য প্রমাণ করেছে—সুযোগ ও সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে প্রতিকূল পরিবেশেও স্বপ্নের শিখরে পৌঁছানো সম্ভব। তিন ভাই ও এক বোনের সংসারে সাদিয়া মেজ। বাবা পেশায় একজন ক্ষুদ্র মাছ ব্যবসায়ী এবং মা গৃহিণী। সীমিত আয়ের পরিবারে সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালানো সহজ ছিল না। তবে সাদিয়ার অদম্য আগ্রহ এবং বাবা-মায়ের নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতার কারণে পড়াশোনা থমকে যায়নি। ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়ে রাজশাহী আলোর পাঠশালা থেকে দীর্ঘ পথ পেরিয়ে এবার সফলভাবে মাধ্যমিকের গণ্ডি পার করেন তিনি।

প্রথম আলো ট্রাস্টের উদ্যোগে পরিচালিত রাজশাহী আলোর পাঠশালা দীর্ঘদিন ধরে সুবিধাবঞ্চিত ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে। ঝরে পড়া রোধের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখায় এই প্রতিষ্ঠানটি। নিজের অনুভূতি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ব্যক্ত করে সাদিয়া জানান, ভবিষ্যতে তিনি একজন শিক্ষক হতে চান। তাঁর ইচ্ছা—নিজের মতো সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়াশোনার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া এবং তাদের স্বপ্ন পূরণের সঙ্গী হওয়া।

Source: https://trust.prothomalo.com/activities/alor-school/rxio89eonl

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফোনে ৫ কোটি রুপি চাঁদা দাবি বলিউড তারকার কাছে

১

ভাবুক সম্রাট

২

সৌরবিদ্যুতের প্রসারে প্রথম সোলার এক্সপো, যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

৩

জামাল ভূঁইয়ার কিশোরগঞ্জ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা

৪

ইয়াশ রোহানের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জনের জবাব দিলেন তটিনী

৫

প্রথম আলোতে হামলা: সাড়ে ১০ মাসেও তদন্ত এগোয়নি, গ্রেপ্তার সবাই জামিনে মুক্ত

৬

পাতি-নেতাদের নামতা

৭

জেলহত্যা দিবস আজ

৮

বৃহত্তর জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান নেতানিয়াহুর, আজ বৈঠকে বসছেন বিরোধীরা

৯

আয়–উপার্জনে বরকত পেতে নবীজির শেখানো ৫ আমল

১০

ক্ষমতাসীনেরা মধ্যবর্তী নির্বাচনে জেতে না, তবে আমরা জোর চেষ্টা চালাচ্ছি: ট্রাম্প

১১

বিক্ষোভ-ভাঙচুর, ৩য় দিনে ৪ শতাধিক কারখানায় ছুটি

১২

দলীয় নেতার সমর্থন হারানোর দিনই আল–সাইয়েদের তহবিলে রেকর্ড অর্থ

১৩

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়: নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে প্রাক্তন ছাত্রকে মারধর করে পুলিশে দিল ছাত্রদল

১৪

মধ্যবর্তী নির্বাচন : হেরে গেলে বাকি দুবছর কীভাবে সামাল দেবেন ট্রাম্প

১৫

যে ক্যাফেতে কফি খেতে বসতে হয় মুরগির সঙ্গে

১৬

তাহসিফ সাউরির মৃত্যু: রিমান্ডে থাকা দীপ ও তরুণীকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ

১৭

আইসিইউতে বরেণ্য ক্রীড়া সংগঠক হারুনুর রশীদ

১৮

মা ইলিশ রক্ষায় বিমানবাহিনীর নজরদারি সম্পন্ন

১৯

এইচএসসিতে এমন ফল বিপর্যয় কেন অশনিসংকেত

২০