সরকারের বিবেচনায় থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি সামুদ্রিক টহল বিমান, একটি রসদ সরবরাহকারী জাহাজ অথবা মাইন শনাক্ত ও অপসারণকারী একটি ইউনিট মোতায়েন করা। সম্ভাব্য এই সহায়তার পরিসর ও ধরন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
তবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ব্লু হাউস বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতায় কীভাবে সহায়তা করা যায়, তা নিয়ে সিউল আলোচনা করছে। তবে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের বিষয়ে সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে—এমন খবর ‘তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়’।
সরকারের বিবেচনায় থাকা বিকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি সামুদ্রিক টহল বিমান, একটি রসদ সরবরাহকারী জাহাজ অথবা মাইন শনাক্ত ও অপসারণকারী একটি ইউনিট মোতায়েন করা। সম্ভাব্য এই সহায়তার পরিসর ও ধরন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
তবে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ব্লু হাউস বলেছে, হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতায় কীভাবে সহায়তা করা যায়, তা নিয়ে সিউল আলোচনা করছে। তবে সামরিক সরঞ্জাম মোতায়েনের বিষয়ে সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে—এমন খবর ‘তথ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়’।
Source: https://www.prothomalo.com/world/asia/a1iequqr0g
মন্তব্য করুন