দক্ষিণ কোরিয়ায় বিভিন্ন উৎসব, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বিশেষ দিবসকে কেন্দ্র করে আতশবাজির আয়োজন ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। রাতের আকাশে রঙিন আলোর ঝলকানি দেখতে প্রতিবছর দক্ষিণ কোরিয়ায় বিভিন্ন স্থান থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষ বিভিন্ন অনুষ্ঠানস্থলে জড়ো হন।৫ সেপ্টম্বর ২০২৬ সিউল ইন্টারন্যাশনাল ফায়ারওয়ার্কস ফেস্টিভ্যাল শেষ হয়েছে। ইয়েইডো হ্যানগ্যাং পার্ক এলাকায় বেলা ১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এ উৎসবে অংশ নেয় কোরিয়া, আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যে।.দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.com.তবে আনন্দের পাশাপাশি আতশবাজি ব্যবহারের ক্ষেত্রে আইন ও নিরাপত্তাবিধি মেনে চলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কোরিয়ায় সব ধরনের আতশবাজি ইচ্ছেমতো ব্যবহার করা যায় না। আতশবাজির ধরন ও ব্যবহারের পরিস্থিতি অনুযায়ী অনুমতি বা নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ প্রযোজ্য হতে পারে।.অনুমতি ছাড়া বড় ধরনের আতশবাজি ব্যবহার করলে দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড কিংবা আইনি জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে। তাই ব্যক্তিগতভাবে আতশবাজি ব্যবহারের আগে সংশ্লিষ্ট স্থানীয় কর্তৃপক্ষের নিয়ম জেনে নেওয়া জরুরি।.উৎসবের সময় আয়োজকদের পাশাপাশি দর্শনার্থীদেরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়। শিশুদের আতশবাজি থেকে দূরে রাখা, নির্ধারিত এলাকার বাইরে আতশবাজি না পোড়ানো এবং আগুন লাগতে পারে, এমন জায়গায় কোনো ধরনের আতশবাজি ব্যবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।.দক্ষিণ কোরিয়ার রাতের আকাশে আতশবাজির বর্ণিল প্রদর্শনী নিঃসন্দেহে দর্শনার্থীদের আনন্দ দেয়। তবে এই আনন্দ যেন দুর্ঘটনা বা ক্ষতির কারণ না হয়, সে জন্য আইন মেনে এবং নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে উৎসব উপভোগ করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
Source: https://nagorik.prothomalo.com/durporobash/y7nsfjzdve
মন্তব্য করুন