সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে কারিনা বলেন, আমার ছেলে তৈমুর ও স্বামী সাইফ—দুজনেই মনে করে, তাকে ক্ষমা করে দেওয়া উচিত। আসলে তৈমুরই সাইফকে বলেছিল, “আব্বা, তাকে ক্ষমা করে দাও।”
, ২০২৫ সালের জানুয়ারি। মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজের বাড়িতে ছুরিকাঘাতের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি সাইফ আলী খান। গুরুতর সেই ঘটনার পর পরিবারটির জীবনে নেমে এসেছিল উদ্বেগ আর অনিশ্চয়তা। কিন্তু সেই কঠিন সময়েও পরিবারে উঠে এসেছিল ক্ষমার কথা। কারিনা কাপুর জানিয়েছেন, সাইফকে হামলাকারীকে ক্ষমা করে দেওয়ার কথা বলেছিল তাঁদের ছেলে তৈমুর।
, কেন ক্ষমা করতে বলেছিল তৈমুর?
কারিনা জানান, পুলিশ পরিবারের সদস্যদের বলেছিল, অভিযুক্ত ব্যক্তি অর্থের সন্ধানে ওই বাড়িতে ঢুকেছিল। বাচ্চাদের ন্যানিকেও সে জানিয়েছিল, তার এক কোটি রুপি প্রয়োজন। মায়ের অস্ত্রোপচারের জন্য সেই টাকা দরকার ছিল বলে সে দাবি করেছিল।
, হামলাকারীকে ক্ষমা করতে চেয়েছিলেন সাইফও
এর আগে বারখা দত্তের সঙ্গে কথোপকথনে সাইফও জানিয়েছিলেন, তিনি অভিযুক্ত ব্যক্তিকে ক্ষমা করতে চান। তাঁর ভাষায়, লোকটি ‘বড় একটি ভুল’ করেছে এবং সম্ভবত হত্যা করার উদ্দেশ্যে সেখানে যায়নি।
সাইফ বলেন, ‘আমি ওই লোকটিকেও ক্ষমা করতে চাই। কারণ আমার মনে হয়, সে বড় একটি ভুল করেছে। আমার মনে হয় না, সে আসলে হত্যা করতে এসেছিল। সম্ভবত আমারই উচিত ছিল তার ওপর ঝাঁপিয়ে না পড়া। আমি হয়তো তার সঙ্গে কথা বলে তাকে বোঝাতে পারতাম। এখন সম্ভবত তাকে দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকতে হবে। আমি তাকে ক্ষমা করতে পারলে খুশি হব।’
, নিজের আঘাতের ভয়াবহতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি প্রায় পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে গিয়েছিলাম। কিছু সময়ের জন্য আমার পায়ে কোনো অনুভূতিই ছিল না। ছুরিটি আমার মেরুদণ্ডের স্নায়ুতে আঘাত করেছিল, তবে তা কেটে যায়নি।’
Source: https://www.haal.fashion/celeb/ee5avsou0d
মন্তব্য করুন