জন্মের পর মা বানরটি অসুস্থ বাচ্চাটিকে ছেড়ে যায়। প্রথম দিকে চিড়িয়াখানার কর্মীরাই বানরছানাটির দেখভাল করতেন। বানরছানাদের আঁকড়ে ধরার প্রবণতা স্বাভাবিক রাখতে পাঞ্চের হাতে দেওয়া হয়েছিল একটি পুতুল ওরাংওটাং। পুতুলটি আঁকড়ে ধরে পাঞ্চের বেঁচে থাকার লড়াই ইন্টারনেটে কোটি মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছিল।
আজ পাঞ্চ আর সেই পুতুলপ্রেমী ছোট্ট ছানাটি নেই। চিড়িয়াখানায় আরও প্রায় অর্ধশত বানরের দলের সঙ্গে বেশ আনন্দে দিন কাটাচ্ছে সে। দলের অন্য বানরদের থেকে তাকে আলাদা করাই কঠিন। তবে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে পুতুলটির মায়া কাটিয়ে উঠলেও ভক্তদের মনে তার জায়গা এতটুকুও কমেনি।
জন্মের পর মা বানরটি অসুস্থ বাচ্চাটিকে ছেড়ে যায়। প্রথম দিকে চিড়িয়াখানার কর্মীরাই বানরছানাটির দেখভাল করতেন। বানরছানাদের আঁকড়ে ধরার প্রবণতা স্বাভাবিক রাখতে পাঞ্চের হাতে দেওয়া হয়েছিল একটি পুতুল ওরাংওটাং। পুতুলটি আঁকড়ে ধরে পাঞ্চের বেঁচে থাকার লড়াই ইন্টারনেটে কোটি মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছিল।
আজ পাঞ্চ আর সেই পুতুলপ্রেমী ছোট্ট ছানাটি নেই। চিড়িয়াখানায় আরও প্রায় অর্ধশত বানরের দলের সঙ্গে বেশ আনন্দে দিন কাটাচ্ছে সে। দলের অন্য বানরদের থেকে তাকে আলাদা করাই কঠিন। তবে বয়সের সঙ্গে সঙ্গে পুতুলটির মায়া কাটিয়ে উঠলেও ভক্তদের মনে তার জায়গা এতটুকুও কমেনি।
Source: https://www.prothomalo.com/world/asia/mf19v6vpwd
মন্তব্য করুন