এরপর ওর একটি ভালো ছবি তোলার জন্য বহুবার রাবি ক্যাম্পাসে গিয়েছি। তবে প্রথমবারের মতো ওর বাসা ও ছানার ছবি তুলি ২০১৪ সালের ২২ মে, বিরল ও দুর্লভ পাখি নিয়ে তিন বছরের এক গবেষণা প্রকল্পের কাজে গিয়ে রাবিতেই। এরপর যখনই রাবি ক্যাম্পাসে গিয়েছি, তখনই পাখিটিকে দেখেছি। বিরল ও দুর্লভ পাখির প্রকল্পের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের জন্য রাবি ক্যাম্পাসে গিয়ে ১৭ মে ২০১৫ দুপুরে ৩৭ মিনিটে পাখির খাদ্য সংগ্রহ থেকে বাসায় ছানাদের খাওয়ানোর দৃশ্যের ২৩২টি ছবি তুলেছিলাম। তিন বছর পর বিরল ও দুর্লভ পাখির সন্ধানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী যাই। রাজশাহী থেকে ফেরার দিন অর্থাৎ ১ জুলাই ২০১৮-এ রাবি ক্যাম্পাসে যাই পক্ষী আলোকচিত্রী মো. ইমরুল কায়েসকে নিয়ে। কায়েস আমাকে রাবির যানবাহন শাখার পাশের দুটি গাছে দুটি বাসা দেখিয়েছিল। সেদিন দুপুর সোয়া বারোটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত পাখিদের কোনো রকম বিরক্ত না করে ধীরেসুস্থে ওদের ২৬০টি ছবি তুলেছিলাম। দেশের বাইরে পাখিটিকে দেখেছিলাম ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের রাজস্থান প্রদেশের ভরতপুর পক্ষী অভয়ারণ্যে।
গাজীপুর কৃষি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দেখা দুর্লভ যে পাখিটির গল্প এতক্ষণ বললাম সে এ দেশের এক আবাসিক পাখি বামন বা শঙ্খ শালিক। বামুনি কাঠশালিক, বামুনি ময়না বা বামুনি হরবোলা নামেও পরিচিত। ইংরেজি নাম ব্রাহ্মণী স্টারলিং/ময়না। মাথায় ছোট্ট কালো টুপি ও ঝুঁটি থাকায় কালো-মাথা ময়না নামেও পরিচিত। ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের কোনো কোনো এলাকার গ্রামীণ ও গাছপালাসমৃদ্ধ পরিবেশে ক্বচিৎ দেখা মেলে। Sturnidae গোত্রের শালিকটির বৈজ্ঞানিক নাম Sturnus pagodarum। বাংলাদেশ ছাড়াও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ ও চীনে দেখা যায়।
এরপর ওর একটি ভালো ছবি তোলার জন্য বহুবার রাবি ক্যাম্পাসে গিয়েছি। তবে প্রথমবারের মতো ওর বাসা ও ছানার ছবি তুলি ২০১৪ সালের ২২ মে, বিরল ও দুর্লভ পাখি নিয়ে তিন বছরের এক গবেষণা প্রকল্পের কাজে গিয়ে রাবিতেই। এরপর যখনই রাবি ক্যাম্পাসে গিয়েছি, তখনই পাখিটিকে দেখেছি। বিরল ও দুর্লভ পাখির প্রকল্পের তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের জন্য রাবি ক্যাম্পাসে গিয়ে ১৭ মে ২০১৫ দুপুরে ৩৭ মিনিটে পাখির খাদ্য সংগ্রহ থেকে বাসায় ছানাদের খাওয়ানোর দৃশ্যের ২৩২টি ছবি তুলেছিলাম। তিন বছর পর বিরল ও দুর্লভ পাখির সন্ধানে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী যাই। রাজশাহী থেকে ফেরার দিন অর্থাৎ ১ জুলাই ২০১৮-এ রাবি ক্যাম্পাসে যাই পক্ষী আলোকচিত্রী মো. ইমরুল কায়েসকে নিয়ে। কায়েস আমাকে রাবির যানবাহন শাখার পাশের দুটি গাছে দুটি বাসা দেখিয়েছিল। সেদিন দুপুর সোয়া বারোটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত পাখিদের কোনো রকম বিরক্ত না করে ধীরেসুস্থে ওদের ২৬০টি ছবি তুলেছিলাম। দেশের বাইরে পাখিটিকে দেখেছিলাম ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতের রাজস্থান প্রদেশের ভরতপুর পক্ষী অভয়ারণ্যে।
গাজীপুর কৃষি ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দেখা দুর্লভ যে পাখিটির গল্প এতক্ষণ বললাম সে এ দেশের এক আবাসিক পাখি বামন বা শঙ্খ শালিক। বামুনি কাঠশালিক, বামুনি ময়না বা বামুনি হরবোলা নামেও পরিচিত। ইংরেজি নাম ব্রাহ্মণী স্টারলিং/ময়না। মাথায় ছোট্ট কালো টুপি ও ঝুঁটি থাকায় কালো-মাথা ময়না নামেও পরিচিত। ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের কোনো কোনো এলাকার গ্রামীণ ও গাছপালাসমৃদ্ধ পরিবেশে ক্বচিৎ দেখা মেলে। Sturnidae গোত্রের শালিকটির বৈজ্ঞানিক নাম Sturnus pagodarum। বাংলাদেশ ছাড়াও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ ও চীনে দেখা যায়।
Source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/environment/y6ht32ca3p
মন্তব্য করুন